সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘শিক্ষা কারিকুলামে হস্তক্ষেপের সুযোগ দিলে কওমি মাদরাসার সর্বনাশ হবে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কওমি শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি ও সরকারি মান গ্রহণ এখন আলোচনার শীর্ষে। কওমি শিক্ষা ধারার ছাত্র-শিক্ষকদের দীর্ঘ দাবিও এটি। তবুও বিষয়টি প্রশ্নাতীত নয়। একদিকে যেমন আশান্বিত লাখো কওমি তরুণ, অন্যদিকে তেমন স্বকীয়তা ও বৈশিষ্ট্য হারানোর আশংকা করছেন অনেকেই। সংশয়বাদীরা টেনে আনছেন আলিয়া মাদরাসার উদাহরণ। কিন্তু কি ভাবছেন আলিয়া শিক্ষাধারার নীতি নির্ধারকগণ?

দেশের ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যত, আলিয়া মাদরাসা বর্তমান পরিস্থিতি ও কওমি মাদরাসার উপর সরকারি স্বীকৃতির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে কথা বলেছেন দেশের অন্যতম শীর্ষ ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘খুলনা আলিয়া কামিল মাদরাসা’র প্রিন্সিপাল ‘মাওলানা আবুল খায়ের মোহাম্মদ যাকারিয়া’। কথোপকথনে তার সঙ্গে ছিলেন আতাউর রহমান খসরু।

আওয়ার ইসলাম : বর্তমান সমাজব্যবস্থায় ইসলামি শিক্ষার অবস্থান কি এবং তার ভবিষ্যত কতোটা সম্ভাবনাময়?

মাওলানা আবুল খায়ের যাকারিয়া :  আল হামদুলিল্লাহ! বাংলাদেশের মানুষ ইসলামি শিক্ষায় আ্গ্রহী। তারা চায় তাদের সন্তান ইসলাম সম্পর্কে জানুক। দীনের মৌলিক শিক্ষা লাভ করুক। কারো প্রত্যাশা তাদের সন্তান দীনী শিক্ষায় শিক্ষিত হোক এবং সাথে সাথে জাগতিক শিক্ষাও লাভ করুক। যাতে তাদের দুনিয়া-আখেরাত দুটোই হয়। এ শ্রেণির অভিভাবক তাদের সন্তানদের আলিয়া মাদরাসায় ভর্তি করেন।

অন্য শ্রেণি চান তাদের সন্তান ধর্মীয় শিক্ষায় অধিক পারদর্শী হোক। তারা সন্তান কওমি মাদরাসায় ভর্তি করান।

আওয়ার ইসলাম : আলিয়া মাদরাসা কি অভিভাবকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে?

মাওলানা আবুল খায়ের যাকারিয়া : আমার মনে হয় , পারছে। পুরোপুরি না পারলেও পারছে। তবে এটা ঠিক একজন শিক্ষার্থী ধর্মীয় জ্ঞানে যতোটা সমৃদ্ধ হওয়া উচিৎ ছিলো তা হচ্ছে না। নায়েবে নবী (নবীর উত্তরসূরী) হিসেবে তাদের মধ্যে কিছুটা ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে। এজন্য অনেকাংশে দায়ী আলিয়া মাদরাসার বর্তমান সিলেবাস ও শিক্ষা কারিকুলাম।

সরকার ও সরকারের বাইরে থাকা একদল বামপন্থী বুদ্ধিজীবী -যারা চান না দেশে ভালো আলেম তৈরি হোক- তাদের দীর্ঘদিনের ষড়যন্ত্রের কারণে আজকের