শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

বেলফোর ঘোষণা ছিল মানবতার পরাজয়: হামাস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস বলেছে, বেলফোর ঘোষণা ছিল বিংশ শতাব্দির সবচেয়ে বড় ভুল ও মানবতার পরাজয়। ওই ঘোষণার মাধ্যমে ইতিহাস বিকৃত করে ফিলিস্তিনিদের ভূমি জবরদখল করে অবৈধ রাষ্ট্র ইহুদিবাদী ইসরাইল প্রতিষ্ঠা করা হয়।

হামাস আজ এক বিবৃতিতে বলেছে, ব্রিটেন বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে ফিলিস্তিনি জাতির প্রতি একটি ঐতিহাসিক অপরাধ করেছে। কাজেই এখন লন্ডনকে সেই ভুল শোধরানের জন্য ফিলিস্তিনি জনগণকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সব ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সেইসঙ্গে ফিলিস্তিনিরা যাতে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অধিকারি হতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

হামাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বেলফোর ঘোষণার শততম বর্ষপূর্তির প্রতি সমর্থন জানিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে প্রকারান্তরে ফিলিস্তিনি জাতির প্রতি নির্যাতন ও অপরাধযজ্ঞের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

সম্প্রতি অবৈধ রাষ্ট্র ইহুদিবাদী ইসরাইল প্রতিষ্ঠায় ব্রিটেনের ভূমিকা থাকার কারণে গর্ব প্রকাশ করেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। তিনি কুখ্যাত বেলফোর ঘোষণার শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে এক বক্তব্য ওই গর্ব প্রকাশ করেন।

১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য কথিত আবাসভূমি বা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে ব্রিটেনের অবস্থানের কথা ঘোষণা করেন। কলঙ্কজনক ওই ঘোষণা ‘বেলফোর ঘোষণা’ নামে পরিচিত।

ওই ঘোষণা অনুযায়ী ব্রিটেন ফিলিস্তিনে ইহুদিবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টার অঙ্গীকার করে। ফিলিস্তিন তখন ছিল ব্রিটিশ উপনিবেশ।

বেলফোর ঘোষণার ৩১ বছর পর ১৯৪৮ সালে আমেরিকা ও ব্রিটেনের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় জবরদস্তিমূলকভাবে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আত্মপ্রকাশ করে ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল।

সূত্র: পার্সটুুডে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ