শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘সাহাবিবিদ্বেষীদের বায়তুল মোকাররমের আশপাশে থাকার অধিকার নেই’  জামালপুরে বাসচাপায় প্রাণ গেল শাশুড়ি-পুত্রবধূর মুসলমান পরিচয়ে গর্বিত বলিউড অভিনেতা আমির খান দিল্লির আন্দোলনে মুসলিমদের অংশ না নেওয়ার আহ্বান ইমাম সংগঠনের প্রধানের মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশি হাফেজ ইহতিশামুল হক হীরা বায়তুল মোকাররমে ফের এসির তার চুরি, বন্ধ ৮ এসি পটুয়াখালী ইপিজেডের সামনে থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার মানসিক স্বাস্থ্যকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী কওমিরা লেখালেখিতে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে: লিয়াকত আলী মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৬৮ শতাংশ অস্ত্রই পুরনো!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:  একা চিনে রক্ষা নেই। দোসর পাকিস্তান। প্রতিবেশী দুই দেশের সেনাবাহিনী যখন সীমান্তে বিপদের কারণ হয়ে উঠেছে, সে সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীর আসহায় অবস্থার ছবিটা স্পষ্ট হয়ে গেল। রাখ-ঢাক না করে সেনা উপপ্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেন শরথ চন্দ জানিয়ে দিলেন, ‘‘ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে থাকা অস্ত্রের মধ্যে ৬৮ শতাংশই পুরনো।’’ যাকে বলে ‘ভিন্টেজ’ শ্রেণির।

সেনাপধান বিপিন রাওয়তের গলাতেও সেই একই সুর। তিনি বলেছেন, ‘‘অর্থনীতিতে এক নম্বর হওয়ার পাশাপাশি সেনাশক্তিতেও যে এগিয়ে যাওয়া দরকার, তা চিন বুঝতে পেরেছে।’’ রাওয়ত যেটা বলেননি, সেটাই কিন্তু সেনা উপপ্রধান শরথ চন্দের কথা থেকে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

প্রয়োজনীয় বরাদ্দের অভাবে যে ভারতীয় সেনাবাহিনী পিছিয়ে পড়ছে তা জানিয়ে তিনি বলেছেন, চলতি আর্থিক বছরে কেন্দ্রের কাছ থেকে সেনাবাহিনী চেয়েছিল ৩৭ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাজেটে দেওয়া হয়েছে ২১ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা।

গত বছর ডোকালাম নিয়ে বিবাদ এমন পর্যায়ে পোঁছয় যে, চিন-ভারতের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ঠিক সেই সময়েই সীমান্তে গুলিবর্ষণ শুরু করে পাকিস্তান। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ভবিষ্যতে একই সঙ্গে দুই আলাদা যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াইয়ের কথা ভেবে সেনাবাহিনীকে তৈরি রাখতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তুতি যে টাকার অভাবে থমকে যাচ্ছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

চিনের সেনাবাহিনী যখন অত্যাধুনিক অস্ত্রে সেজে উঠছে, সেই সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীর খোল-নলচে বদলানোর প্রক্রিয়া যে শিকেয় উঠেছে, তা শরথ চন্দজানিয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির কাছে তিনি বলেছেন, “প্রায় সমস্ত দেশের সেনাবাহিনীতেই পুরনো যুদ্ধাস্ত্র থাকে। কিন্তু কখনই তা মোট যুদ্ধাস্ত্রের এক তৃতীয়াংশের বেশি হয় না। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে তা ৬৮ শতাংশ।”

দেশের সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করার জন্য মেক ইন ইন্ডিয়ার স্লোগান তুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বলা হয়েছিল বিদেশ থেকে অস্ত্র কেনার বদলে, দেশেই অস্ত্র কেনা হবে। কিন্তু টাকার অভাবে যে গোটা প্রক্রিয়ী ধাক্কা খাচ্ছে, তা খোলাখুলি জানিয়ে দিলেন সেনা উপà