বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

ইসলামি রাষ্ট্রে নারীর মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ জিয়াউল হক
অতিথি লেখক

তারা তোমাদের , আর তোমরাও তাদের পরিচ্ছদ

নারী ও পুরুষকে আল কুরআনে পরষ্পরের পোশাক বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে৷ তার মানে কী? সমাজে তারা একে অন্যের উপর নির্ভরশীল৷ নারী যেমন পুরুষের ভূষণ হিসেবে তার যায়গায় ক্ষমতাবান, পুরুষও তেমনি নারীর অলংকরণ৷ তাদের আন্ত:লিঙ্গীয় সম্পর্ক দ্বান্দ্বিক কিংবা পুরুষ বা নারীতান্ত্রিক নয়; বরং ইসলামি সমাজ হবে পরষ্পর নির্ভরশীলতার ও নারী পুরুষের সমমর্যাদার ৷

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন

মহর প্রদানের নিশ্চয়তা বিধানের মাধ্যমে ইসলামি সরকারের নিকাহ বিভাগ বিবাহের প্রথম প্রহরেই নববধুকে স্পর্শের আগেই তাকে অর্থকড়ির স্বত্তাধিকারী বানাবে৷

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সচেতনতার মাধ্যমে পুরুষকে স্ত্রীর মহর প্রদানের ‘গণ প্রবণতা’ তৈরি করবে কর্তৃপক্ষ ৷ যা বর্তমানের সেক্যুলার সমাজে বিরলদৃষ্ট ৷ ফলে বাসরশয্যায় নবদুলহান তার মেহেদী রাঙা হাতেই ভালমানের একটা আর্থিক উপঢৌকন পেয়ে যাবেন প্রেম, ভালোবাসা, সম্মান, মর্যাদা, আর্থিক নিরাপত্ত্বা ও ক্ষমতায়নের প্রতীক স্বরূপ৷ যার তসররুফের এখতেয়ার একচেটিয়া নারীরই থাকবে ৷

নারীর এমন আর্থিক ক্ষমতায়ন পৃথিবীর অন্য কোন নারীবাদী মতবাদ ও সংস্থার ফর্মূলায় পিএইচডি গবেষণা করেও খুঁজে পাওয়া যাবে না ৷

শিক্ষায় নারী

নারী ও পুরুষের লৈঙ্গিক পৃথকতা মেনে নিয়েই বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের পৃথক হল থাকছে৷ ইসলামি সরকার এই নারীবান্ধব বিষয়টিকে সম্প্রাসারিত করে উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনা করবে ৷

যেন অসাধু শিক্ষক-সহপাঠী দ্বারা নারী নিগ্রহের অঘটনগুলো না ঘটে ৷ ফলে নারীদের স্বতন্ত্র মেডিকেল, বিশ্ববিদ্যালয়,কলেজ প্রতিষ্ঠা হবে এতে নারী শিক্ষার হার বর্তমানের রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলবে ৷

কর্ম ও চলাচলের স্বাধীনতা

নারীর ব্যয়ভার পিতা, স্বামী ও সন্তানের কাধেই সাধারণভাবে ন্যাস্ত ৷ এতদসত্ত্বেও যদি নারী তার অর্জিত দক্ষতা ও যোগ্যতার প্রতিফলনে প্রয়োজনে বা শখে কর্মে নিয়োজিত হতে চায়; সেক্ষেত্রে ইসলামি রাষ্ট্র ত