শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে সরকার জেনেভায় হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা স্বাক্ষর ইউরোপে ৪ মার্কিন বিমান, ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা সিলেটে দুই মাজারের কোটি টাকা তছনছ, হিসাব চাইলেন ডিসি সারওয়ার সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষের শিশুশ্রমমুক্ত সমাজ গঠন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি: ইসলামী যুব আন্দোলন বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলনে সীমান্ত অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত হজ প্রস্তুতি নিয়ে আল ওয়াসির ফ্রি অনলাইন আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর সভা ফেনীতে দুই মাসের শিশুকে হত্যার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার এইচএসসির চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করল ঢাকা বোর্ড

যেখানে হিন্দুরাও নিয়মিত রোজা রাখেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বারাসতে হিন্দু-মুসলমানের অপূর্ব সৌহার্দ্য অনেকেরই জানা।

শহরের কাছেই ছোট একটি মসজিদ। হাতেগোনা কয়েকজন মুসলমান এখানে নামাজ আদায় করতে আসলেও এটি মূলত ‘বোস বাড়ির মসজিদ’ হিসেবে পরিচিত।

বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বোস পরিবার পালিয়ে আশ্রয় নেন ভারতে। যেখানে তারা আশ্রয় নিয়েছিলেন, সেই জমিতে জীর্ণ অবস্থা থেকে একটি মসজিদকে রক্ষা করেছেন এই হিন্দু পরিবারের সদস্যরা। সেই থেকে গত অর্ধশতক ধরে বোস পরিবারই মসজিদটি দেখাশোনা করছে। শুধু তাই নয়, পবিত্র রমজান মাসে নিয়মিত রোজাও থাকেন এই বোস পরিবার।

বর্তমানে পার্থ সারথি বোস মসজিদটির দেখাশোনা করছেন। মসজিদটির প্রতি তার এতো টান যে তার বন্ধুবান্ধব মজা করে তাকে ডেকে থাকেন মুহাম্মদ পার্থসারথি বসু নামে। কিন্তু এসব মজা গায়ে মাখেন না পার্থ।

তিনি রমজান মাসে সব মুসলমানদের সাথে একসাথে বসে ইফতার করেন। আর শুধু বোস পরিবারই নয়, এই মসজিদটির জন্য অন্যান্য হিন্দু পরিবারগুলোও নানারকম সহায়তায় এগিয়ে আসেন।

বারাসতে পশ্চিম ইছাপুরের নবপল্লীতে ২০ থেকে ২৫ বিঘা জমি জুড়ে বোস বাড়ি। বাড়ির প্রধান দীপক বসুর বয়স ৬৭ বছর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় খুলনার এই বসু পরিবার নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে বারাসতে চলে আসেন।

আরো পড়ুন- মুসলমান হওয়ায় বাব-মার নির্মম নির্যাতন


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ