শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ফেনীর মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর ইন্তেকাল, জানাজা বিকাল ৩টায় হরমুজে জাহাজ লক্ষ্য করে ছোড়া ইরানের সব ড্রোন ভূপাতিতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী ইসলামী যুব আন্দোলনের ঈদ পুনর্মিলনী ও থানা প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন দায়িত্বে মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ এমপি গুজরাটে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো শতাধিক মুসলিম বাড়ি রাশিয়ার জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে আমিরে মজলিস প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার

বিচারকে পবিত্র পেশা হিসেবে দেখেন সদ্য শপথ নেয়া অন্ধ বিচারক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গতকাল মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রথম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিচারক ইউসাফ সালিম। শপথ পরবর্তী এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি বলেন, বিচার একটি পবিত্র পেশা। কারো চোখ রাঙানির ভয়ে এ পেশাটিকে কলুষিত না করার আহবান জানিয়েছেন সব বিচারকদের প্রতি।

লাহোর হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ইয়াওর আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণের পর ইউসাফ সালিম পাকিস্তানের আইন ও বিচারের ইতিহাসে একজন কিংবদন্তী বিচারক হিসেবে দেশটির সবশ্রেণির মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

ইউসাফ সালিমের এ ব্যতিক্রমী ইতিহাস গড়ার পেছনে পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

সালিমের যোগ্যতা ও অবস্থান যথার্থ থাকা সত্ত্বে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় প্রথম পর্যায়ে তার নিয়োগ আটকে যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রধান বিচারপতি মিয়া সাকিব নিসারের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি লাহোর হাইকোর্টকে বিষয়টি পর্যালোচনা করতে বলেন।

লাহোর হাইকোর্ট সব দিক বিবেচনায় এনে সালিমকে এ মার্যাদাপূর্ণ পদে নিয়োগের সুপারিশ করেন।

সালিমের বাবা একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। জন্মের পর থেকেই তিনি দুই চোখে দেখতে পান না। তার চার বোনের দুজনই দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী।

উল্লেখ্য, তার বোন সায়মা সালিম ২০০৭ সালে দেশটির প্রথম দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী সিভিল সার্ভেন্ট হিসেবে যোগ দেন।

আলেম সাংবাদিক কেন প্রয়োজন?

এসএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ