শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

মৃত্যুঝুঁকি থাকলেও পাহাড় ছাড়তে নারাজ বাসিন্দারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মৃত্যুঝুঁকি থাকলেও পাহাড় ছাড়তে নারাজ পাহাড়ের বাসিন্দারা।

অনেকটা জোর করেই তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠাচ্ছে প্রশাসন। পাহাড়ে বসবাসকারীদের দাবি, আশ্রয়কেন্দ্র নয়, স্থায়ী পুনর্বাসন করতে হবে তাদের।

জেলা প্রশাসনের হিসেবে, বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বাস করছে ২ হাজারেরও বেশি মানুষ, যা বাস্তবে ৫ হাজারেরও বেশি বলে দাবি স্থানীয়দের।

রাঙামাটিতে এ সংখ্যা ১৫ হাজারেরও বেশি। খাগড়াছড়িতে প্রায় ৫ হাজার। প্রতিবছরই ভারী বৃষ্টি হলে পাহাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নির্দেশ দেয় প্রশাসন।

কখনো কখনো অভিযান চালিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয় অনেককে। তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেই আবার ফিরে যায় পাহাড়ে।

স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবি উঠলেও, প্রশাসন বলছে বাসযোগ্য জমি না পাওয়ায় পুনর্বাসন সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে শুধু সচেতন করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে কার্যক্রম। তবে এবছর আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

পাহাড় ধসে চলতি বছর এ পর্যন্ত বান্দরবানে মারা গেছেন আট জন আর রাঙামাটিতে ১১ জন। গত বছর ১৩ জুন রাঙামাটিতে মারা যায় ১শ ২০ জন।

দাওরায়ে হাদিসের (মাস্টার্স) ফলাফল প্রকাশ আজ