আওয়ার ইসলাম: চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি যাচ্ছেন ৬ হাজার ৭৯৮ জন। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাচ্ছেন ১ লাখ ২০ হাজার। ইতোমধ্যে সৌদি এয়ারলাইন্স ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটযোগে রোববার (২৯ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ৬৫ হাজার ৭৯০ হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
হজ ব্যবস্থাপনা শুরুর আগেই এজেন্সিগুলোকে ৪ শতাংশ হারে রিপ্লেসমেন্ট করার ব্যবস্থা রাখে সরকার। কোনো হজযাত্রী মারাত্বক অসুস্থ হলে বা মারা গেলে তার স্থানে অন্য একজনকে এই ৪ শতাংশ হারের মধ্যে রিপ্লেস করা হবে।
কিন্তু এজেন্সিগুলো রিপ্লেসমেন্টের এই হার বাড়ানোর জোর দাবি জানিয়ে আসছিলো। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার আরও ৪ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। এখন তারা দাবি করছে, এটা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার। যদিও এ দাবির যৌক্তিক কারণ দেখছে না কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে, একসঙ্গে সব হজব্রত পালন ইচ্ছুক ব্যক্তির টাকা জমা নেওয়া হলে রিপ্লেসমেন্টের সংখ্যা কমবে।
হজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছরের শুরুতেই ৪ শতাংশ হারে রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা দেওয়ায় ৪ হাজার জনকে রিপ্লেসমেন্ট করা হয়। যাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় রিপ্লেসমেন্ট করা হয়েছে মাত্র ৪ জনকে। বাকিদের সবাইকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় রিপ্লেসমেন্ট করা হয়েছে।
গত ২১ জুলাই ধর্মমন্ত্রী আবারও ৪ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেন। যেখানে ৩ হাজার ৮শ’হজযাত্রীকে রিপ্লেসমেন্ট করা হয়। সেখানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মাত্রদুইজন আর বাকিদের বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় রিপ্লেসমেন্ট করা হয়েছে। এখন এজেন্সিগুলো রিপ্লেসমেন্টের হার আরও বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার কথা বলছে।
এ বিষয়ে আশকোনা হজ অফিসের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, কিছু নিয়মের মধ্যে হজ পালন ইচ্ছুক ব্যক্তিদের নিয়ে আনা গেলে রিপ্লেসমেন্টেরসংখ্যা অনেক কমে যাবে। আমরা এ বছরেই এই নিয়মটার কার্যকর করতে চেয়েছিলাম যেটা হয়নি। আগামীতে এটা করার চেষ্টা করা হবে। কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে আগেই প্রস্তাব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, আমাদের প্রথমে প্রাক-নিবন্ধন যেটা হয় সেটা আগেই একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। বেঁধে দেওয়া এই সময়ের মধ্যে যদি কেউ নিবন্ধন না করতে পারেন তাহলে কোনো এজà§