শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনি নারীদের দুর্দশা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব

সম্প্রতি ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন আলোচিত ফিলিস্তিনি তরুণী আহেদ তামিমি। তিনি মুক্তি পেলেও এখনও হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নারী বন্দি আছেন ইসরাইলি কারাগারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে ১৯৬৭ সাথে থেকে এ পর্যন্ত ইসরাইলিদের হাতে ১৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নারী বন্দি হয়েছে। বর্তমানেও কয়েক হাজার নারী যায়নবাদীদের কারাগারে বন্দি রয়েছেন। যাদের মধ্যে ১৮ বছরের নিচের তরুণীও রয়েছেন অনেক।  ফিলিস্তিনের বন্দি ও স্বাধীনতা সংস্থার এক প্রতিবেদনে এসেছে: ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসের তৃতীয় ইন্তিফাদার পর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ইসরাইলি সেনারা ২৯৫ জন ফিলিস্তিনি নারীকে বন্দি করেছে।

এসকল বন্দিদের বিভিন্ন ধরণের শারীরিক নির্যাতন, নির্জন কারাবাস, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ থেকে বঞ্চিত রাখা, মেডিকেল সেবার অবহেলা এবং আপত্তিকর নিরীক্ষা ইত্যাদি লোমহর্ষক বিবরণ উঠে এসেছে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া আরেক বন্দি ইয়াসমিন আবু সুরুরের বর্ণনায়।

চলতি বছরের শুরুর দিকে ইসরাইলি সৈন্যের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ইয়াসমিন আবু সুরুর। আয়েদা শরণার্থী শিবির থেকে গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথমে তাকে তিন মাসের জন্য প্রশাসনিকভাবে আটক দেখানো হয়। এরপর তিনি আরও পাঁচ মাস জেল খাটেন। পাঁচ মাসে তিনি ফিলিস্তিনি নারীদের বন্দি জীবনের দুঃখজনক অনেক ঘটনা নিজ চোখে প্রত্যক্ষ করেন।

তিনি বলেনঃ ফিলিস্তিনি নারী বন্দিরা ইসরাইলি বন্দিদশা থেকে মুক্তির জন্য যে কোনো বিনিময় চুক্তি করতেও রাজি আছেন তারা। তাই ফিলিস্তিনি বিভিন্ন সংগঠনের কাছে আমার আবেদন তারা যেন, ফিলিস্তিনি নারী বন্দিদেরকে মুক্ত করার জন্য কাজ করেন।

অধিকাংশ বন্দিদের "আল-দামুন" এবং "হিশারুন" কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। সেখানে তারা প্রচন্ড গরম এবং ঠাণ্ডা সমস্যার সম্মুখীন রয়েছেন। বন্দিদের শীতকালের উপযুক্ত পোশাক ও জুতা দেয়া হচ্ছে না।

ফিলিস্তিনি নারীদেরকে ইসরাইলি নারী ফৌজদারি অপরাধীদের সেলের পাশে রাখা হয়। সেখানে তাদের উচ্চস্বরে চিৎকার, মারামারি, অপমান ও লাঞ্ছনা সহ্য করতে হয়। এছাড়াও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেয়া হয় না।
এসকল বন্দিদের মধ্যে অনেক বন্দি বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত রয়েছেন। কিন্তু সেখানে তাদের কোন উà