শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

১৯৭৮ সালে কাবা আক্রমণকারীর ছেলে এখন সৌদির কর্নেল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: কেউ কি কল্পনা করতে পারবে, বায়তুল্লাহ আক্রমণকারী এক সার্জনের ছেলে এখন সৌদি আরবের নিরাপত্তাবাহিনীর কর্নেল?

চরমপন্থী একটি দল ১৯৭৯ সালে বায়তুল্লাহয় হামলা করেছিলো, হামলায় অংশ নেয়া এক সন্ত্রাসীর ছেলে বর্তমানে সৌদি নিরাপত্তাবাহিনীর কর্নেল এমনটাই খবর দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিশালী গণমাধ্যম আল-আরাবিয়া উর্দূ।

সে হামলাকারীর নাম ছিলো জুহাইমান আল-ওতাইবি। তার ছেলে হিজাল। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ন্যাশনাল গার্ডের এ পদ পেয়েছে বলে জানা গেছে।

তার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে সরকার তাকে কাজ থেকে বরখাস্ত করেনি বলেও জানায় পত্রিকাটি।হিজাল সৌদি আরবের ন্যাশনাল গার্ডের কর্মকর্তা। তিনি কর্নেলের পদে সম্প্রতি পদোন্নতি লাভ করেন বলেও খবর পাওয়া গেছে।

যখন এ হামলা হয়েছিলো তখন হিজালের বয়স ছিলো মাত্র এক বছর। সে স্নাতক শেষ করে সৌদি আরবের ন্যাশনাল গার্ডে নিয়োগ লাভ করে।

এদিকে তার ব্যাপারটা নিয়ে সৌদি সামাজিক মিডিয়াতে কর্নেলের পদে অগ্রগতির খবর প্রকাশ করার পর অনেকে অনেক ধরনের মন্তব্য করেছে।

কেউ কেউ আবার এমনও বলেছেন, এটা শুধু সৌদি আরব দেখে সম্ভব হয়েছে না হয় কখনো এমন ঘটনা ঘটতো না।

ইতিহাস ঘাটলে এ ঘটানার ব্যাপারে বল হয় ১৯৭৯ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ইসলামি চরমপন্থীরা মসজিদ আল-হারাম দখল করে, যা ছিল মূলত সউদ রাজ পরিবাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।

বিসফটি – বিস্তারিত জানুন

বিদ্রোহীরা ঘোষণা করে, ইমাম ‘মাহাদি’ হিসেবে তাদের নেতা চলে এসেছে। মুসলমানরা তাকে মেনে চলবে।

এ ঘটনা মুসলিম বিশ্বকে বিস্মিত করে কারণ হজ পালনরত হাজার হাজার মুসলিমকে বন্দী করা হয়। মসজিদের নিয়ন্ত্রণ পুনুরুদ্ধারের জন্য লড়াই-এ শতশত জঙ্গি, নিরাপত্তা বাহিনী ও বন্দী নিহত হয়।

দুই সপ্তাহ যুদ্ধ শেষে মসজিদ জঙ্গিমুক্ত হয়। হামলার পর, সৌদি রাষ্ট্রে অধিকতর ইসলামি অনুশাসন কায়েম করা হয়।

জুহাইমান আল-ওতায়বি সম্ভ্রান্ত নাজদ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন যার নেতৃত্বে এই অবরোধ হয়। তিনি ঘোষণা করেন, তার ভগ্নীপতি মà§