শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

কঙ্কালসার এই শিশুর ওজন মাত্র ৮ কিলোগ্রাম!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কৌশিক পানাহী: ছেলেটার নাম গাজী সালেহ। বয়স ১০ বছর। অনাহারে শিশুটি কঙ্কালসার হয়ে গেছে, ওজন গিয়ে ঠেকেছে ৮ কিলোগ্রামে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইয়েমেনের তয়েজের এক হাসপাতালে শুয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে অনাহারক্লিষ্ট শিশুটি।

চিকিৎকেরা জানিয়েছেন, অনাহারে এতো দুর্বল হয়ে গেছে যে, শ্বাস-প্রশ্বাস নিতেও রীতিমতো যুদ্ধ করতে হচ্ছে ছেলেটিকে।

ইয়েমেনে যুদ্ধ-সংঘাত শুরুর তিন বছর পেরিয়ে গেছে। রক্তপাত, বোমার শব্দ এখন সেখানে রোজনামচা। জাতিসংঘের হিসাব বলছে, বিধ্বস্ত ইয়েমেনে বিপন্ন প্রায় এককোটি শিশু।

জাতিসংঘের তৈরি করা পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে শিশুদের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন সেভ দ্য চিলড্রেনের এক রিপোর্ট বলছে, গত তিন বছরে ইয়েমেনে যুদ্ধের সময়ে অপুষ্টিতে ভুগে ৮৫ হাজার শিশু মারা গেছে।

কিছুদিন আগে আমাল হোসেন নামে শীর্ণকায়, কঙ্কালসার এক শিশুর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমের রূপটা বাইরে এনে প্রতিবাদের মুখ হয়ে উঠেছিল সেই শিশু।

আমাল নেই, তবে তার অনেক প্রতিচ্ছবি এখনও ইয়েমেনের আনাচেকানাচে রয়ে গেছে। কঙ্কালসার গাজি সালেহ-ই তার প্রমাণ।

এনটিডিভির খবরে প্রকাশ, আল-মুদাফার হাসপাতালে রয়েছে গাজী সালেহ। তার বিছানায় শুয়ে থাকা একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

ওই ছবিতে দেখা যায়, শীর্ণকায় চেহারার গাজী সালেহের রুগ্ন বুকের ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে পাঁজরের হাড়। কঙ্কালসার হাত দু’টো মুচড়ে বুকের ওপর জড়ো করে রাখা।

আল-মুদাফার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সালেহের শরীর খুবই দুর্বল। সে এতো দুর্বল যে, তার শ্বাসের আওয়াজও প্রতি মুহূর্তে ক্ষীণ হয়ে আসছে।

সূত্রের খবরে উল্লেখ, চূড়ান্ত অপুষ্টিতে ভুগতে থাকা গাজিকে শরণার্থী শিবির থেকে সম্প্রতি হাসপাতালে আনা হয়েছে।

ওই হাসপাতালের নার্স ইমান আলি বলেছেন, ‘গাজি এতো দুর্বল যে, কোনও খাবারই নিতে পারছে না। অপুষ্টি ছাপ ফেলেছে সারা শরীরে। হৃদস্পন্দন কমে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। ১০ বছরের শিশুর ওজন মাত্র আট কিলোগ্রাম হয়ে গেছে।’

আল-মুদাফার হাসাপাতালের নিউট্রিশন বিভাগের প্রধান সোনা ওথমানের ভাষ্য, ‘প্রতিদিনই হাসপাতালে অপুষ্টিতে ভোগা-রুগ্ন শিশুরা ভর্তি হচ্ছে। কাউকে বাঁচাতে পারছি, কেউ হার মানছে জীবনের লড়াইয়ে। কঙ্কালসার শিশুগুলোর চেহারা ইয়েমেনের à¦