রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
নিকাব নিয়ে বিএনপির এমপির বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ ভারতজুড়ে অশান্তির বিরুদ্ধে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ৬ দফা বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী সাইবার হামলার শিকার ইরানের ৪ প্রধান ব্যাংক ময়মনসিংহে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু ৪০ জন পরিদর্শক দিয়ে হাজার হাজার মাদরাসা কীভাবে সামলাচ্ছে বেফাক? ইসলামি মূল্যবোধ ও অধিকার রক্ষার আন্দোলন জোরদার হবে: আমিরে মজলিস নবী-সাহাবি নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, তোপের মুখে ক্ষমা চাইলেন ‘জামায়াতি’ বিশ্লেষক ১৭ জুন থেকে সারাদেশে নূরানী বোর্ডের ষান্মাসিক জোড় শুরু প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে মন্ত্রিপরিষদের সম্মতি নেই: শিক্ষামন্ত্রী

মসজিদে হামলাকারী কে এই সন্ত্রাসী? কেন এ হামলা?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরের ‘আল নূর' মসজিদে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে দুই সন্ত্রাসী৷ পুলিশসূত্রে জানা গেছে, হামলাকারী সন্ত্রাসীরা মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাবাপন্ন৷

হামলাকারী দুই সন্ত্রসীর একজন ২৮ বছরের অস্ট্রেলিয়ান যুবক। যে দেশের অভিবাসীও মুসলিমদের প্রতি বিরূপ মনোভাবাপন্ন সেটা ধরা পড়েছে ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া একটি ইশতাহার থেকে৷ ৭৪ পৃষ্ঠা দীর্ঘ এই ইশতাহারে বারবার সে শ্বেতবর্ণ মানুষদের শ্রেষ্ঠত্বের কথা বলেছে৷

শুধু তাই নয়, কেন ইসলামপন্থি মানুষদের সাথে পশ্চিমা চিন্তার বিরোধ, তাও সে বোঝাতে চেয়েছে সেখানে৷

স্থানীয় পুলিশ যদিও যুবকের পরিচয় জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি৷ তবে ‘ব্রেন্টন টারান্ট' নামে সামাজিক মাধ্যমে সে আগেও নানা বিদ্বেষী বক্তব্য ছড়িয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ সেই ব্যক্তির প্রোফাইল থেকেই গোটা হামলার ঘটনাটি অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়৷

সেই ভিডিওতেই তাকে দেখা যায় ভয়াবহ এই ঘটনাকে ‘পার্টি'-র সাথে তুলনা করতে!

কেন এই হামলা?

সাধারণ পরিবারে বেড়ে ওঠা ওই যুবকের ভেতর আগে থেকেই ছিল বর্ণবাদ, অন্ধত্ব৷

নিজের ভেতরে এই বাড়তে থাকা বিদ্বেষের সাথে সাথে এমন হামলার কারণ হিসাবে ইশতাহারে সে দিয়েছে ইউরোপের উদাহরণ৷

ফ্রান্সে বেড়াতে এসে আশেপাশে বহু অভিবাসী মানুষদের দেখে হামলাকারী সন্ত্রাসী ওই যুবক আস্তে আস্তে এই হামলার জন্য নিজেকে তৈরি করে৷ ৩ মাস আগেই টার্গেট হিসাবে ঠিক করে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ৷

হামলাকারী সন্ত্রাসী যুবকের খাতা-কলমে কোনো চরমপন্থি সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার খবর এখনও পাওয়া মেলেনি৷

কিন্তু তার ইশতাহার ও বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে তার লেখার প্রতিক্রিয়া থেকে পুলিশ ধারণা করছে যে একাধিক বর্ণবাদী, ইহুদিবিদ্বেষী ও ইসলামবিদ্বেষী ব্যক্তিদের দ্বারা সে অনুপ্রাণিত হয়েছিল৷

সূত্র: ডয়েচে ভেলে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ