শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

স্যার! জবাইয়ের সময় গরুটা আস্তে ফালায়েন...

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাহমুদুল হাসান


সবুজ গালিচা বিছানো বিস্তৃত মাঠ; শোলাকিয়া মাঠ। তার গা ঘেঁষে আরেকটা ছোট মাঠ। সেখানে প্রতি শুক্রবার বসে গরু ছাগলের হাট। খুবই জমজমাট এই হাট। দূর দূরান্ত থেকে এ হাটে গরু-ছাগল কেনার জন্য উৎসুক ক্রেতারা ভীড় করেন৷ ঈদে এ হাটের ক্রেতাদের ভিড়ে তিল ধারণের ঠাঁই থাকে না।

শোলাকিয়া মাঠের নাম দেশের প্রায় সবার লোকমুখে শুনা যায়। অবশ্য এর একটা গ্রহণযোগ্য কারণও আছে। এক সময় এই মাঠে ঈদের জামাতে শোয়ালাখ মানুষের সমাগম হয়েছিল। এ থেকেই শোলাকিয়া মাঠ।

মাঠের পাশেই সবুজ গেটওয়ালা উঁচু দালানের বাড়িটা জাফর সাহেবের। জাফর সাহেব খুব নামিদামি ব্যক্তি। এলাকায় তার প্রশংসনীয় প্রভাবও রয়েছে৷ মানুষ তাকে এক নামেই চেনে। শোলাকিয়ার জাফর সাহেব। বিশেষ করে মাঠের পাশে সবুজ গেইটের উঁচু দালানটা তুলে সমাজের মানুষের দৃষ্টি কেড়েছেন।

কুরবানি ঈদ খুব দ্রুত ঘনিয়ে আসছে। জাফর সাহেবের গরু কেনার কাজটাও তাকে তাড়া দিচ্ছে বারবার। নামের খ্যাতি এবং সুপরিচিতির সাথে মিল রেখে এ বছর কুরবানিটা দেবেন বলে মনস্থ করেছেন। এলাকার সবচেয়ে বড় গরু কুরবানি দেবেন। তার হৃদয়ের অভিপ্রায়ের কথা লোকমুখে প্রচার করতে শুরু করেছেন৷

শোলাকিয়া পুকুর পারের চা আড্ডা থেকে শুরু করে মহল্লার অলিগলিতে এবং স্বজন-পরিজনদের মাঝেও আলাপে কমতি করেননি। তার স্ত্রীকে বলে রেখেছেন বাপের বাড়িতে বলে রাখতে। এ বছর কুরবানির গরুটা হবে এলাকার সবচেয়ে বড়। তারা যেন দেখার জন্য আসে।

জমেদ আলী পুকুর পারে আনমনা হয়ে বসে আছেন। মাটিতে কি যেন আঁকিবুঁকি করছেন। চেহারায় দুশ্চিন্তার ছাপ। যা সয়ে নিতে তার কষ্ট হচ্ছে। একটু পরপর কী যেন বিড়বিড় করে বলেন আর হতাশার হাই তুলেন।

জমেদ আলী রিনা বানুর সাথে সংসার পেতেছেন আজ ১৪ বছর হয়। এত বছর পরও কোনো উত্তরসূরি আসেনি তাদের সংসারে৷ কিছুদিন আগে জানতে পারেন তার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা৷ এই সংবাদে জমেদ আলীর আনন্দের সীমা নেই, তবুও তিনি চিন্তিত। জমেদ আলী দিন মজুর মানুষ। কাজ করে দিন চলে। কোনোদিন কাজ না করতে পারলে স্বামী-স্ত্রীর অভুক্ত থেকে যেতে হয়।

জমেদ আলী ছোট থেকেই গরু পালনে আগ্রহী। গত দুই বছর ধরে একটা ষাঁড় লালন করছেন। স্বামী-স্ত্রী উভয়ের শখের কেন্দ্রবিন্দু এই ষাঁড়টা। খুব যত্ম-আত্মি করেন। একদম সন্তানের মতো৷ সন্তার না থাকার বেদনা ভুলেন বোবা চারপায়া প্রাণী এই ষাঁড়টাকে যত্ম করে।

জমেদ আলীর স্ত