শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬ ।। ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাল হারামাইনে জুমার খুতবা দেবেন যাঁরা ফের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাকিস্তান বেফাকের সভাপতি হলেন মুফতি তাকী উসমানী জুলাই জোটের সভাপতি মাবরুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক জামিল সিদ্দিকী ‘পবিত্র কালেমার অবমাননা ও ভূরাজনৈতিক বিভ্রান্তি এড়াতে সচেতন হোন’  ‘বিশুদ্ধ আকিদা ছাড়া ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণ সম্ভব নয়’ তুরস্ক ও মিশরে যাচ্ছেন মাওলানা মাহফুজুল হকসহ ‘টিম হাফেজ্জী’ সংস্কার ও বিচারের দাবি অপূর্ণ থাকা জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি: পীর সাহেব চরমোনাই হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১১৯ মোহাম্মদপুরে নূরানী বোর্ডের ষান্মাসিক জোড় অনুষ্ঠিত  প্রথম দিনেই চট্টগ্রাম বোর্ডে অনুপস্থিত ১ হাজার ৩৪০ পরীক্ষার্থী

সংসদে ৮২৩৮ জন ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জাতীয় সংসদে ৮ হাজার ২৩৮ জন ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও কোম্পানির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বুধবার সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ১০৭ পৃষ্ঠার একটি বিস্তারিত ঋণখেলাপির তালিকা সংসদে উত্থাপন করেন। সেই তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে কে কত টাকা ঋণখেলাপি।

অর্থমন্ত্রী টাঙ্গাইল-৬ আসনের এমপি আহসানুল ইসলাম টিটুর লিখিত প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত সিআইবি ডাটাবেজে রক্ষিত ২০১৯ সালের নভেম্বরভিত্তিক হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৯৬ হাজার ৯৮৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। পরিশোধিত ঋণের পরিমাণ ২৫ হাজার ৮৩৬ কোটি ৪ লাখ টাকা।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ত্রৈমাসিক তথ্য অনুযায়ী ২৫টি ব্যাংকের পরিচালকরা নিউ ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেছেন। তাদের গৃহীত ঋণের বকেয়া স্থিতির পরিমাণ ১ হাজার ৬১৪ কোটি ৭৭ লাখ ১৭ হাজার টাকা, যা মোট ঋণের ০ দশমিক ১৬৬৬ শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ব্যাংকের পরিচালকরা নিজ ব্যাংক ব্যতীত অন্য ৫৫টি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। তাদের গৃহীত ঋণের উপস্থিতির পরিমাণ ১ লাখ ৭১ হাজার ৬১৬ কোটি ১২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা, যা ব্যাংকসমূহের মোট প্রদেয় ঋণের ১১ দশমিক ২১ শতাংশ।

সরকারি দলের সদস্য মুহা. হাবিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী ক্ষুদ্র ঋণের সর্বোচ্চ সুদের হার ২৪ শতাংশ। ইতোপূর্বে বেসরকারি সংস্থা কর্তৃক অধিক সুদে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণের ব্যবস্থা থাকলেও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি আইন-২০০৬ এর আওতায় সরকার কর্তৃক এমআরএ প্রতিষ্ঠানের পর হতে প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক ব্যয়, প্রশাসনিক ব্যয়, ঋণ ক্ষতি সঞ্চিতি ও প্রফিট মার্জিন ইত্যাদি পর্যালোচনা এবং সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করে ক্রমহ্রাসমান স্থিতি পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ঋণের সুদহার নির্ধারণ করে দেয়া হচ্ছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ