সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রণে ইমাম-খতিবদের সহযোগিতা চায় সরকার ৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু

ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন সমর্থনযোগ্য নয়: বিজেপি সাংসদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: এবার ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে সরব হলেন ক্ষমতাসীন বিজেপির এক সাংসদ। বললেন, ধর্মের ভিত্তিতে মানুষে মানুষে বিভাজন কখনই সমর্থনযোগ্য নয়। এর ফলে বিজেপির অস্বস্তি আরো একটু বাড়বে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, মধ্যপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক নারায়ণ ত্রিপাঠি নাগরিকত্ব আইনের সমালোচনা করে বলেছেন, ‘আমি গ্রামেই বেড়ে উঠেছি। সিএএ নিয়ে কিছু দিন ধরেই গ্রামের যা পরিস্থিতি তা দেখেই এ কথা বলছি।’

ভুপালে নাগরিকত্ব আইন প্রসঙ্গে এই বিজেপি বিধায়ক বলেন, ‘আমি গ্রামের ছেলে। সিএএ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে আমার গ্রামে যা দেখছি, তা থেকেই বলছি ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন ঠিক নয়। আম্বেদকরের তৈরি ভারতীয় সংবিধান মেনে চলা উচিত। দেশের সংবিধান বলছে ধর্মনিরপেক্ষ দেশে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন হবে না। তা সত্ত্বেও এটা করা হচ্ছে।’ বিধায়কের গ্রামের মুসলিমরা সিএএ আইন নিয়ে এতটাই ক্ষুব্ধ যে হিন্দুদের প্রতি তাদের বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

খবরে বলা হয়েছে, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ক্রমশই সুর আরও চড়া করছে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ তুলে সরব রয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল, বামসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল।

এমনকি সিএএ ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরোধিতায় সরব দেশটির ছাত্রসমাজের একটি বড় অংশ। তা ছাড়া বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন।

সিএএ বিরোধিতায় ইতিমধ্যেই কেরালা, পাঞ্জাব, রাজস্থান ও পশ্চিমবঙ্গে প্রস্তাব পাস করানো হয়েছে। সিএএ-র বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে বামশাসিত কেরালা।

এই অবস্থায় মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিজেপি বিধায়কের সিএএ নিয়ে এই অবস্থান পরোক্ষে যে মোদি শিবিরের খানিকটা অস্বস্তি বাড়ালো তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ