শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

এবার বারাণসীতে মসজিদের নিচে মন্দিরের চিহ্ন খোঁজার নির্দেশ ভারতীয় আদালতের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের বারাণসীতে মুঘল আমলে নির্মিত জ্ঞানবাপি মসজিদের নিচে হিন্দু মন্দিরের চিহ্ন রয়েছে কিনা তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় একটি আদালত। মসজিদটি বিখ্যাত কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের পাশেই অবস্থিত।

হিন্দু ধর্মানুসারীদের দাবি, ১৬৬৪ সালে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব প্রাচীন মন্দিরটি ভেঙে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেন। এ নিয়ে ১৯৯১ সালে আদালতে একটি পিটিশন দায়ের হয়েছিল।

প্রায় তিন দশকের পুরোনো সেই পিটিশনের শুনানিতে বৃহস্পতিবার বারাণসী আদালত ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাকে (এএসআই) মসজিদটি মন্দিরের জায়গায় বানানো কিনা তা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন।

বিষয়টি তদন্তের জন্য এএসআইয়ের মহাপরিচালককে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করতে বলা হয়েছে, যার মধ্যে দুজন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য থাকতে হবে। কমিটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য প্রসিদ্ধ কাউকে নিয়োগ দেয়ারও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, এই প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের মূল উদ্দেশ্য হবে ‘বিতর্কিত স্থানে’ বর্তমানে যে ধর্মীয় অবকাঠামো দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাতে অন্য কোনও ধর্মীয় স্থাপনার যেকোনও ধরনের পরিবর্তন, সংযোজন বা রূপান্তরের চিহ্ন রয়েছে কিনা তা খুঁজে বের করা। অর্থাৎ, মসজিদের ওই জায়গায় কখনো হিন্দু মন্দির ছিল কিনা, সেটাই অনুসন্ধান করবে কমিটি।

তবে এধরনের জরিপের নির্দেশনা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সদস্য আর শামসাদ। তার মতে, ১৯৯১ সালে প্রণীত একটি আইন বিবেচনায় আবেদনটি বাতিল করা উচিত।

তিনি বলেন, এই মামলা খারিজ করার জন্য একটি আবেদন করা হয়েছিল, যার ভিত্তিতে জেলা আদালত আদেশ জারি করেছে। মামলাটির শুনানি করা যায় কিনা তার পুরো বিষয়টি এলাহাবাদ হাইকোর্টে বিচারাধীন। এই পটভূমিতে মনে হয় না এধরনের আদেশের কোনও যৌক্তিকতা রয়েছে। এটি মোটেও উচিত হয়নি।

সূত্র: এনডিটিভি

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ