আওয়ার ইসলাম: করোনা মোকাবিলায় দৃশ্যত কঠোর অবস্থান নিচ্ছে সরকার। আগামী ১৪ই এপ্রিল থেকে দেয়া হচ্ছে সর্বাত্মক লকডাউন। এই সময়ে জরুরি সেবা ছাড়া সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিতসহ সব ধরনের অফিস বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে কল-কারখানা, গণপরিবহন। গতকাল জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এক সপ্তাহ সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৪ থেকে ২০শে এপ্রিল পর্যন্ত এক সপ্তাহের জন্য আমরা কঠোর লকডাউনে যাচ্ছি। এটি হবে পরিপূর্ণ-কমপ্লিট লকডাউন। যেখানে মানুষজন সকলেই সহযোগিতা করবেন।
এদিকে, অন্তত দুই সপ্তাহ পূর্ণ লকডাউন ছাড়া করোনাভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না বলে মনে করছে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। বুধবার রাতে কমিটির ৩০তম সভায় সারা দেশে দুই সপ্তাহ পূর্ণ লকডাউন দেয়ার সুপারিশ করা হয়। সভার সুপারিশ নিয়ে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লার সই করা একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি গতকাল শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে সুপারিশে বলা হয়- সারা দেশে ?উদ্বেগজনকভাবে কোভিড- ১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাড়ছে।
সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ১৮টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও করোনা নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ দেয়া হয়। এগুলো সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না, সংক্রমণের হার বাড়ছে। বিধিনিষেধ আরো শক্তভাবে অনুসরণ করা দরকার। অন্তত দুই সপ্তাহের জন্য পূর্ণ লকডাউন ছাড়া এটা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না বলে সভায় মতামত ব্যক্ত করা হয়। বিশেষ করে সিটি করপোরেশন এবং মিউনিসিপ্যালিটি এলাকায় ২ সপ্তাহ পূর্ণ লকডাউনের সুপারিশ করা হয়। দুই সপ্তাহ পর সংক্রমণের হার বিবেচনা করে নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে।
শয্যাসংখ্যা, আইসিইউ সুবিধা, অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ানোর জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচেষ্ট বলে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেহেতু হাসপাতালের রোগী ভর্তির বাড়তি চাপ বাড়ছে, তাই হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো দরকার। এ ছাড়া ডিএনসিসি হাসপাতাল আগামী সপ্তাহের মধ্যে চালু হবে বলেও জানানো হয়।
কমিটি বলছে, করোনাভাইরাসের টেস্ট করতে আসা ব্যক্তিদের একটা বড় অংশ বিদেশগামী যাত্রী। কমিটির মতে, বিদেশে অভিবাসী কর্মজীবী মানুষ ছাড়া অন্যদের পরীক্ষার জন্য বেসরকারি পরীক্ষাগারà§