শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

ফ্রান্সে হিজাব নিষিদ্ধ বিল নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ফ্রান্সে ১৮ বছরের কম বয়সী মুসলিম কিশোরীদের প্রকাশ্যে হিজাব পরা নিষিদ্ধের প্রস্তাব সিনেটে পাশ হয়েছে। তবে বিতর্কিত এই বিল পাশের পর তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে দেশটির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এর বিরোধিতা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘#হ্যান্ডসঅফমাইহিজাব’ (#HandsOffMyHijab) লিখে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন অনেকে। খবর : আল জাজিরা।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর বিতর্কিত পৃথকীকরণ বিলের অনুমোদনের পক্ষে ভোট দিয়েছে ফরাসি সিনেট। এই বিল আইন হয়ে গেলে ১৮ বছরের কম বয়সী ফরাসি মুসলিম কিশোরীদের জনসম্মুখে হিজাব পরা নিষিদ্ধ করা হবে।

বিলটিকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদবিরোধী’ বিল হিসেবে সিনেটে তোলা হয় এবং দেশটির ধর্মনিরেপক্ষ ব্যবস্থাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। তবে সিনেটে অনুমোদন পেলেও এটি এখনও আইনে পরিণত হয়নি।

তবে এই বিলের বিরোধিতা করেছেন অনেকে। প্রস্তাবিত এই আইনকে ‘ইসলামবিরোধী আইন’ বলে আখ্যায়িত করেছেন অনকে। এর মাধ্যমে মুসলিম সংখ্যালঘুদের একপেশে করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তারা।

টুইটারে মানার নামে একজন লিখেছেন, ‘ফ্রান্সে ১৫ বছর বয়সীদের যৌনতায় সম্মতি আছে। আর ১৮ বছরের কম বয়সীদের হিজাব পরার অনুমতি নেই। এটি হিজাববিরোধী কোনো আইন নয়। এটি ইসলামবিরোধী আইন। #হ্যান্ডসঅফমাইহিজাব, #ফ্যান্সহিজাবব্যান।’

নাজওয়া জেবিয়ান নামে একজন লিখেছেন, ‘জোর করে কাউকে হিজাব পরানো যেমন অন্যায়, তেমনি জোর করে কাউকে হিজাব খুলতে বাধ্য করাও অন্যায়। এটি একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।’

অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিও এই বিলের বিরোধিতা করেছেন। অলিম্পিক অ্যাথলেট ইবতিহাজ মুহাম্মাদ ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সিনেটে অনুমোদন দেয়া বিলটি ফ্রান্সে ইসলামোফোবিয়ার বিষয়টি যে আরও তীব্র হচ্ছে তারই ইঙ্গিত দেয়।’

মুসলিম উইমেন’স যে এবং মুসলিম গার্ল ওয়েবসাইটের প্রতিষ্ঠাতা আমানি আল-খাতাহবেহ বলেন, ‘একজন নারী কোন পোশাক পরবে বা কোন পোশাক পরবে না, তা কোনো সরকারই নির্ধারণ করতে পারে না।’

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ