সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‎অতিবৃষ্টি হলে যে দোয়া পড়বেন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত বন্যার্তদের পাশে ইসলামী আন্দোলন, চলছে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার নিবন্ধনে একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা মুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই

‘কবি মহিউদ্দিন আকবর রহ. উভয় বাংলার অন্যতম সাহিত্য শাসক ছিলেন’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কবি, ছড়াকার, রম্যলেখক, চিত্রশিল্পী ও নজরুল গবেষক মহিউদ্দিন আকবর রহ. এর রুহের মাগফিরাত কামনায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে রাজধানীর পুরানা পল্টস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

গতকাল (১০ এপ্রিল) শনিবার অনুষ্ঠিত দোয়া ও মাহফিলপূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল করীম আকরাম বলেন, ব্যক্তিজীবনে মহিউদ্দিন আকবর রহ. ছিলেন একজন সজ্জন ব্যক্তি। সবার সাথে আন্তরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সুসম্পর্ক ছিল তার। সাহিত্য-সংস্কৃতিতে তিনি বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী ছিলেন। একাধারে কবি, ছড়াকার, রম্যলেখক ও চিত্রশিল্পী এবং বিদগ্ধ একজন নজরুল গবেষকও ছিলেন। সত্তর দশকের শেষভাগের অন্যতম প্রসিদ্ধ ছড়াকার, আশির দশকের অন্যতম কবি ছিলেন তিনি। তার সম্পাদিত ও যৌথভাবে প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা একশ'র ওপর। তিনি তিন শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ এবং শতাধিক বইয়ের অলংকরণ করেছেন।

কেন্দ্রীয় সভাপতি আরো বলেন, কবি মহিউদ্দিন আকবর একজন সৎ ও সাহসী লেখক ছিলেন। তাঁর লেখালেখিতে সামাজিক অসঙ্গতিগুলো ফুটে ওঠতো।লেখালেখির মাধ্যমে তিনি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়ে গেছেন আমরণ। সাহিত্যের শুদ্ধ চর্চার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যেকে তিনি ব্রাহ্মণ্যবাদের একচ্ছত্র আধিপত্য থেকে মুক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। মরহুম কবি আল মাহমুদ এর মতো তাঁকে উভয় বাংলার সাহিত্য শাসক বললে অত্যুক্তি হবে না।

তিনি আরো বলেন, যদিও বাংলা একাডেমি তাকে বাংলা একাডেমি পুরষ্কার থেকে বঞ্চিত করে তার প্রতি সুবিচার করেনি। কিন্তু তিনি শিল্প-সাহিত্যে অবদানের জন্যে নজরুল পদকসহ ৬টি স্বর্ণপদক এবং বহু পুরষ্কার-পদক অর্জন করেন। বাংলাদেশ লেখক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ-ছাড়াও তিনি বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

দোয়া মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শরীফুল ইসলাম রিয়াদ, সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম শোয়াইব, তথ্য গবেষণা সম্পাদক কেএম শরীয়াতুল্লাহ, প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মাদ ইব্রাহিম হুসাইন, প্রচার ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক নূরুল বশর আজিজী, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক এম এ হাসিব গোলদার, কওমি মাদরাসা সম্পাদক মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুনতাছির আহমাদ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মুহাম্মাদ আল আমিন সিদ্দিকী, মুহাম্মাদ আব্দুর রাজ্জাক ও মুহাম্মাদ শফিকুল ইসলামসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ