শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

ইউসুফ আল কারজাভির ইন্তেকালের সংবাদটি গুজব, বললেন ছেলে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নুরুদ্দীন তাসলিম।।

ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ মুসলিম স্কলারের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ আল কারজাভির ইন্তেকালের সংবাদ সঠিক নয়। তার ইন্তেকালের সংবাদকে গুজব বলে নিশ্চিত করেছে আলজাজিরা মিশর।

আল জাজিরা মিশরের ফেসবুক পেইজে শেখ ইউসুফ আল কারজাভির ছেলে আব্দুর রহমান আল কারজাভির বরাতে বলা হয়েছে, আব্দুর রহমান ইউসুফ আল কারজাভি তার পিতার মৃত্যুর খবরকে অস্বীকার করেছেন এবং তিনি বলেছেন, আমার বাবা বেঁচে  আছেন।

রবিবার মধ্যরাতে বাংলাদেশ, মিশরসহ বিভিন্ন দেশে প্রখ্যাত এই ইসলামিক স্কলারের ইন্তেকালের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পরেই আল জাজিরা মিশরের ফেসবুক পেইজে তার ইন্তেকালের খবরকে গুজব বলে দাবি করা হয়।

এর আগে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ মুসলিম স্কলারের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ আল কারজাভির করোনা আক্রান্তের খবর নিশ্চিত করা হয় তার অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে।

আল কারাজাভির একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে এক টুইট বার্তায় জানানো হয়, বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শেখ আল কারাজাভি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তবে তিনি সুস্থ আছেন এবং মহান আল্লাহর নিকট আরোগ্য লাভের  প্রার্থনা করছেন। তিনি তার অনুসারী এবং মুসলিম উম্মাহর নিকট নিজ সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

ইউসূফ আল-কারযাভী হলেন একজন মিশরীয় ইসলামিক স্কলার। ইসলামিক বিভিন্ন বিষয়ে লেখা তার কয়েকশ গ্রন্থ রয়েছে। সবগুলোই পাঠক মহলে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। আল জাজিরা টেলিভিশনে শরীয়াহ এবং জীবন নামক তার অনুষ্ঠান তাকে পৃথিবীব্যাপি পরিচিত করে তোলে। তিনি মিশর ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুড এর পরামর্শক। তাকে ব্রাদারহুড়ের শীর্ষস্থানীয় নেতা মনে করা হয়। তিনি আলেমদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ইত্তেহাদুল আলামী লি উলামাইল মুসলিমীন এর সভাপতি ছিলেন।

ইসলামী শিক্ষায় অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক বাদশাহ ফয়সাল পুরস্কারের জন্য তাকে সিলেক্ট করা হয়। মুসলিম বিশ্বের নোবেল খ্যাত এ পদক তিনি পান ১৪১৩ হিজরীতে।

বাংলায় অনুদিত তার বই সমূহ

সুন্নাহর সান্নিধ্যে, ইসলামী পুনর্জাগরণ: সমস্যা ও সম্ভাবনা, ইসলামে হালাল হারামের বিধান, ঈমান ও সুখ, বুদ্ধিদীপ্ত জà