শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের গত ২৪ ঘণ্টায় ১ শিশুসহ হাম ও উপসর্গে এখন পর্যন্ত ৬৪৩ মৃত্যু ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের চিন্তার কিছুই নেই: গভর্নর

অক্সিজেন উৎপাদনে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনা আক্রান্ত রোগীদের অনেকের দ্রুত ফুসফুসে সংক্রমণ ছড়িয়ে তীব্র শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। সেই রোগীদের দরকার হচ্ছে অতিমাত্রায় অক্সিজেন। গুরুতর অসুস্থরা অক্সিজেন পেতে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটছেন। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চাপ সামলাতে হিমশিম অবস্থা।

করোনা আক্রান্ত রোগীদের প্রধান ভয় শ্বাসকষ্ট। ফুসফুসে সংক্রমণ হওয়ায় শ্বাসযন্ত্র স্বাভাবিক রাখতে দরকার হচ্ছে অক্সিজেনের। আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাভাবিক শ্বাস নেয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়ায় অধিক পরিমাণে অক্সিজেনের দরকার হয়। সিলিন্ডার, কনসেনট্রেটর, হাই ফ্লো ও আইসিইউতে নিয়ে রোগীকে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে।

হাসপাতালে অক্সিজেনের চাহিদাও কয়েকগুন বেড়ে গেছে। রাজধানীর এই বেসরকারি হাসপাতালে অন্যসময় দৈনিক ৭০ টি সিলিন্ডারের দরকার হত; এখন সেখানে লাগছে ১৭০ টি। অনেক হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ থাকার পরও চাপ সামলাতে হিমশিম অবস্থা।

এদিকে, চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ পড়ছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান দৈনিক ১২০ থেকে ১২৫ হাজার ঘন মিটার অক্সিজেন উৎপাদন করে থাকে। তবে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, অক্সিজেনের চাহিদা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে তারা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ