শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

ঈদুল ফিতর শেষে ‘কোলাকুলি’ করা যাবে না এবারও

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে বিধিনিষেধ মেনে অংশ নেওয়া যাবে ঈদুল ফিতরের জামাতে। তবে মুসলিম ঐতিহ্যের সংস্কৃতি ‘কোলাকুলি’ করা যাবে না এবারও। এর আগে করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে গত কোরবানির ঈদের কেবল জামাত হয়েছিলো মসজিদে। সেবারও কোলাকুলি করা যায়নি।

সবাইকে বাসা থেকে ওজু করে মাস্ক পরে মসজিদে যেতে হবে। কাতারে দাঁড়াতে হবে দূরত্ব রেখে। ঈদগাহ বা খোলা মাঠে ঈদের জামাত হবে না। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের বিস্তার মারাত্মক আকার ধারণ করায় সবার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে লকডাউনের ‘কঠোর’ বিধিনিষেধ চলছে। রোজার মাসে তারাবি নামাজের ক্ষেত্রেও কিছু নির্দেশনা জারি রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইসলামী শরিয়ায় ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় ঈদের নামাজ জামাত আদায় করতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সারা বিশ্বসহ আমাদের দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিজনিত কারণে মুসল্লিদের জীবন ঝুঁকি বিবেচনা করে এ বছর ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে ঈদের নামাজের জামায়াত নিকটস্থ মসজিদে আদায় করার জন্য অনুরোধ করা হল।’

ধর্ম মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামায়াত করা যাবে। আর ঈদের জামাত আয়োজনে মানতে হবে বেশ কিছু নির্দেশনা।

>> ঈদের জামাতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না।
>> নামাজের আগে সম্পূণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। সবাই যার যার দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসতে পারবেন।
>> মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে।

>> মসজিদে ওজুর জায়গাতেও সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।
>> প্রত্যেকে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে মসজিদে আসবেন। ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
>> ঈদের নামাজে অংশ নিতে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

>> মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।
>> ঈদের নামাজ কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে।
>> শিশু, বয়োবৃদ্ধ, অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের ঈদের জামায়à¦