মোস্তফা ওয়াদুদ
নিউজরুম এডিটর
দাওয়াত দিলে ইলেম লাগবে। তরিকা লাগবে। এজন্য মাদরাসা বানান। মাদরাসা বানিয়ে তাদের ইলম শিখান। কুরআন শিখান। হাদিস শিখান। তাদের মাধ্যমে তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে শিখান। এভাবে ধারাবাহিকভাবে দাওয়াতের মাধ্যমে, ইলেমের মাধ্যমে সব শ্রেনির মানুষের মাঝে দীনের প্রেরণা যোগান। তারা নিজেরাই তখন আমল করবে। গুনাহ ছাড়বে। এভাবে একদিন আমাদের প্রবলতা আসবে।
আজ শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) জুমার বয়ানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মাদরাসা মসজিদে এসব কথা বলেন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান।
আল্লামা মাহমুদুল হাসান আরও বলেন, ‘বাবারা তোমাদের হাতে পায়ে ধরি, তোমরা আলেম হও, আলেম হয়ে রাজনীতি করো ৷ জিহাদ করা আগে শিখো, তারপর জিহাদের প্রস্তুতি নেও, একটা কেন্দ্র বানাও যেখান থেকে জিহাদ করবে ৷ এমনি প্রস্তুতি ছাড়া কী করতে পারবা? জিহাদের অধ্যায় পড়ো ভালো করে।’
তিনি বলেন, আমি সরকারকে বলবো নিরীহ আলেমদের ছেড়ে দিন। কেউ অপরাধী হয়ে থাকলে তার সাথে ইনসাফের বিচার করুন। আপনাদের কাছে অনুরোধ করি, গরীব ছাত্রদের ছেড়ে দিন। এরা কুরআন পড়তো। এবার কুরআন পড়তে পারছেনা ৷ আল্লাহর যাতের উপর বিশ্বাস রাখুন। তাদের মুক্ত করে দিন।
তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি জবান ঠিক থাকে তাহলে আবার উম্মতকে আমি সাফায়াত করে জান্নাতে নিয়ে যাব। নবিজি বলেন, আমি জাহান্নামে উঁকি দিয়ে দেখি! আমার উম্মতের অধিকাংশই জবানের কারণে জাহান্নামে আছে। তোমরা হাদিসের কথা বলো। কোরআনের কথা বলো। বাবারা তোমাদের পায়ে ধরি, এক হাদিসকে আরেক হাদিসের সাথে জোড়া লাগায়ো না। এক ঘটনাকে আরেক ঘটনার সাথে মিলিয়ে দিও না। স্থান-কাল-পাত্র বুঝে হেকমতের সাথে এগিয়ে যাও। তা না হলে আমাদের এই সুন্দর দেশ কাফের-বেদ্বীনদের ঘেরাওর মধ্যে চলে আসবে।
তিনি বলেন, তোমরা আগে ভালো আলেম হও। তারপর মানুষের সামনে কথা বলো।
তিনি বলেন, ইদানিং আমার একটি সিদ্ধান্ত বেরিয়েছে। সিদ্ধানà