শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ইউরোপে ৪ মার্কিন বিমান, ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা সিলেটে দুই মাজারের কোটি টাকা তছনছ, হিসাব চাইলেন ডিসি সারওয়ার সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষের শিশুশ্রমমুক্ত সমাজ গঠন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি: ইসলামী যুব আন্দোলন বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলনে সীমান্ত অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত হজ প্রস্তুতি নিয়ে আল ওয়াসির ফ্রি অনলাইন আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর সভা ফেনীতে দুই মাসের শিশুকে হত্যার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার এইচএসসির চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করল ঢাকা বোর্ড নতুন অর্থবছরে কোন মন্ত্রণালয়ে কত বাজেট বরাদ্দ দেশে ফিরেছেন ৫২ হাজার ৪৯১ হাজি

কাল থেকে শহর এলাকায় অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলবে গণপরিবহন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কঠোর বিধিনিষেধ চলমান থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার থেকে গণপরিবহন চলবে, তবে সেটা শহরের ভেতরে। আন্তজেলা বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি মিললেও বাস সরকারের কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা পাননি মালিকরা। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় গণপরিবহন বন্ধ রাখার পক্ষেও নন তারা।

এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘সরকার যেভাবে নির্দেশনা দেবে আমরা সেভাবেই বাস চালাব’।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যাত্রীবাহী বাস কীভাবে চলবে তা স্পষ্ট করে শিগগির প্রজ্ঞাপন জারি হবে। এরপরই বলা যাবে কোন কোন রুটে, কীভাবে গণপরিবহন চলবে’।

বিআরটিএ সূত্র জানায়, প্রজ্ঞাপনে বাস চলাচলের সব নির্দেশনা দেওয়া হবে। যার মধ্যে প্রথমেই থাকছে সিটি সার্ভিস ও জেলার বাস সার্ভিস। অন্য জেলায় প্রবেশ করতে না পারার বিষয়টি। এ ছাড়া বাস ছাড়ার আগে পুরো বাসে জীবাণুনাশক ছিটিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। যাত্রী, বাসচালক ও সহকারীকে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক সিট খালি রেখে গণপরিবহন চালাতে হবে।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকেদের মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে আগামী ৬ মে থেকে জেলার ভেতরে গণপরিবহন চলবে। তবে গণপরিবহন জেলার ভেতরে চলাচল করতে পারবে। আন্তজেলা চলাচল করবে না।

তিনি বলেন, মালিক সমিতি আমাদের কথা দিয়েছে, কোনোভাবে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করা হবে না। তাহলে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এটা আমরা দেখব। লঞ্চ এবং ট্রেন বন্ধ থাকবে। যেহেতু ওগুলো এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যায়। সুতরাং বন্ধ থাকবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চেীধুরী বলেন, ‘পাশের দেশ ভারত ও আমাদের দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে আমি মনে করি এই মুহূর্তে গণপরিবহন খুলে দেওয়া হবে একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। কেননা প্রতি বছর ঈদে বাড়ির যাওয়ার জন্য লাখো মানুষের ঢল নামে। ভয়াবহ ভাবে গাদাগাদি করে বাস, লঞ্চ, রেলের ঈদযাত্রার অতীতের চিত্র আমাদের সবার সামনে রয়েছে। এতে কোনোভাবে গণপরিবহন স্বাস্থ্যবিধি মানানো যাবে না।

তিনি বলেন, সরকারের উচিত প্রয়োজনে পরিবহন শ্রমিকদের নগদ ও ত্রাণ সহায়তা দেওয়া এবং পরিবহন মালিকদের প্রণোদনা দেওয়া। এতে করে পরিস্থিতি উন্নতি হলে ঈদের পর ধীরে ধীরে পরিবহন চালু করা যেতে পারে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ