শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ইউরোপে ৪ মার্কিন বিমান, ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা সিলেটে দুই মাজারের কোটি টাকা তছনছ, হিসাব চাইলেন ডিসি সারওয়ার সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষের শিশুশ্রমমুক্ত সমাজ গঠন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি: ইসলামী যুব আন্দোলন বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলনে সীমান্ত অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত হজ প্রস্তুতি নিয়ে আল ওয়াসির ফ্রি অনলাইন আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর সভা ফেনীতে দুই মাসের শিশুকে হত্যার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার এইচএসসির চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করল ঢাকা বোর্ড নতুন অর্থবছরে কোন মন্ত্রণালয়ে কত বাজেট বরাদ্দ দেশে ফিরেছেন ৫২ হাজার ৪৯১ হাজি

দুই দিনের চেষ্টায় নিভলো সুন্দরবনের আগুন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পূর্ব সুন্দরবনের দাসের ভারানীতে সোমবার ১১টায় লাগা আগুন ৩০ ঘণ্টা পর নেভাতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগ। দুই দিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় ফায়ার সার্ভিসের বাগেরহাটের উপ-পরিচালক মো. গোলাম সরোয়ার তাদের কার্যক্রম সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এদিকে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বন বিভাগ।

মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেয়া যায়, ফায়ার সার্ভিসের বাগেরহাট, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলার তিনটি দল বনের গহিনে পাইপ লাইন টেনে পানি ছিটানোর কাজ করছে। বন বিভাগ ড্রোনের মাধ্যমে আগুন লাগার স্থান চিহ্নিত করছে।

ফায়ার সার্ভিসের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা আ. সাত্তার জানান, আগুন এখন তাদের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আগুনে এ পর্যন্ত প্রায় ১০ একর বনভূমি পুড়ে গেছে।

বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদীন জানান, আগুনে অল্প কিছু বনভূমি পুড়েছে। তবে সেখানে কোনো মূল্যবান গাছ না থাকায় তেমন ক্ষতি হয়নি।

বন এলাকার গ্রামবাসী আফজাল চাফরাশি জানান, ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পাঁচ একরের মতো বনের লতা পাতা গুল্ম জাতীয় গাছপালা পুড়ে গেছে।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, আগুন লগার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে শরণখোলা রেঞ্জের কর্মকর্তা মো. জয়নাল আবেদীনকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে আট কর্মদিবসের মধ্যে আগুন লাগার কারণ নিরূপণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ দিয়ে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

সুন্দরবন সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি ওয়াদুদ আকন জানান, প্রমত্তা ভোলা নদী মরে যাওয়ার পরে লোকালয় এবং বন মিশে গেছে। যত্রতত্র মানুষ সুন্দরবনে প্রবেশ করছেন। যার কারণে বারবার সুন্দরবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেই চলছে। তাই বন রক্ষার স্বার্থে ভোলা নদী ও এর শাখা খালগুলো খনন করার দাবি জানান তিনি।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ