আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পবিত্র কুরআন অবমাননার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ অথরিটি আল হাইয়াতুল উলিয়ার চেয়ারম্যান, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সভাপতি ও মজলিসে দাওয়াতুল হকের আমীর মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান।
আজ (১৬ অক্টোবর) শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, কুমিল্লায় পবিত্র কুরআন অবমাননার বিষয়টি বর্তমান পরিস্থিতিতে খুবই উদ্বেগজনক। গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর আমি বিভিন্নভাবে আমার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছি। এ ব্যাপারে সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে আমার যা মনে হয়েছে, সেই আলোকে সকলের উদ্দেশে আমার বক্তব্য তুলে ধরছি।
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এদেশে একের পর এক ইসলামের ওপর যে আঘাত আসছে, এটি মুসলিম সরকার ও মুসলিম জনগণের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগ ও হতাশাজনক। তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লার এই ঘটনা বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে চলে আসা ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বিরুদ্ধে এক মারাত্মক আঘাত। এ ঘটনা সকল সভ্য ও শান্তিকামী মানুষের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। বিশেষ করে সারাবিশ্বের মুসলমানদের জন্য এটি একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা। এ বিষয়ে রাষ্ট্রের কর্ণধার হিসেবে সরকার প্রধানের সতর্কতামূলক বক্তব্য ও পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।
এ ঘটনা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করার জন্য কিংবা জাতীয় শৃঙ্খলা বিনষ্ট করে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার কোনো চক্রান্ত কিনা—খতিয়ে দেখা দরকার। মুসলিম জাতি এ ঘটনায় স্তদ্ধ ও মর্মাহত। আপাতদৃষ্টিতে এটি দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিম ও ইসলামের জন্য উস্কানিমূলক মনে হচ্ছে।
ইতোপূর্বে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং ধর্মমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছি। তারা অতিদ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। কিন্তু অতীতের ইতিহাস বলে, তদন্ত কমিটি শেষ পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত ফলাফলে পৌঁছতে পারে না। এবারের ঘটনা যেহেতু মুসলিম হৃদয়কে চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত করেছে, তাই অতিদ্রুত অপরাধীদের চà