শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ফেনীর মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর ইন্তেকাল, জানাজা বিকাল ৩টায় হরমুজে জাহাজ লক্ষ্য করে ছোড়া ইরানের সব ড্রোন ভূপাতিতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী ইসলামী যুব আন্দোলনের ঈদ পুনর্মিলনী ও থানা প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন দায়িত্বে মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ এমপি গুজরাটে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো শতাধিক মুসলিম বাড়ি রাশিয়ার জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে আমিরে মজলিস প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার

'তালেবানরা আমার ভাই'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানের সাবেক প্রসেডিন্ট হামিদ কারজাই তালেবানদেরকে তার ভাই বলে সম্মোধন করেছেন। বিবিসিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন। ক্ষমতায় থাকার সময় তালেবানদের ভাই বলে সম্মোধন করেছি বলেও তিনি উল্লেখ করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে শুধু তালেবান কেন? সকল আফগানিস্তানী আমার ভাই উল্লেখ করে কারজাই বলেন, আমরা সকলেই এক জাতি। তালেবান নির্মূলের নামে বিদেশিরা আফগানিস্তানে বোমা হামলা চালিয়েছে। তখন আমরা সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমরা একসঙ্গে ভুগেছি। আমাদের শিশুরা মারা গেছে, বাড়ি-ঘর ধ্বংস হয়েছে।

পরিবার ভেঙ্গে গেছে। আমরা সব দিক থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। সর্বপোরি যা দাঁড়ায় তা হলো, আফাগানিস্তান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এটা ছিল আফগানিস্তানের ভোগান্তি। কারজাই বলেন, আমরা আফগানিস্তানের সন্তান।

দেশকে আরও বেশি বাসোপযোগী করতে আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে। আমাদের দেশ ছেড়ে চলে গেলে চলবে না। যার দেশ ছেড়েছেন তাদের উচিত ফিরে আসা। সকলকে একত্রিত হতে হবে।

কবে নাগাদ মেয়েরা স্কুল কলেজে ফিরতে পারবে? এ প্রশ্নের জবাবে হামিদ কারজাই বলেন, তালেবানদের সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যুতে আমার আলোচনা হয়েছে। মেয়েদের স্কুলে ফিরে আসার ব্যাপারে তারা একমত। শুধু স্কুল নয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং কাজে ফিরে আসাবর বিষয়েও তাদের সমর্থন রয়েছে। তবে আমি তাদেরকে বলেছি এটা এখনই করতে হবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; বিশেষ করে জো বাইডেনের উদ্দেশ্যে হামিদ কারজাই বলেন,তারা আফগানিস্তানের জনগণকে সহায়তা দিক। আমেরিকা এবং তার মিত্র দেশগুলোর উচিত আফগানিস্তান পুর্ণগঠনে সহায়তা দেয়া। আফগানিস্তানের যে ক্ষত হয়েছে সেটা সারতে তাদের সহায়তা করা প্রয়োজন। আরও বেশি সমৃদ্ধশালী আফগানিস্তান গড়তে তাদের অবশ্যই তাদেবানদের সঙ্গে কাজ করা উচিত।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ