শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

ইসলাম মেনেই সুদের হার বাড়াচ্ছি না: এরদোগান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: তুরস্কের মুদ্রা লিরার দাম ক্রমবর্ধ্মান হারে কমছে। আর এরদোয়ানের দাবি, তিনি ইসলাম মেনে সুদের হার কম রেখেছেন।

গতকাল সোমবারও লিরার দাম পড়ে যায়। কিন্তু এরদোগান টিভিতে ভাষণ দিয়ে জানিয়ে দেন, তিনি আর্থিক নীতি বদলাবেন না। এরদোগান বলেছেন, ইসলাম মেনেই তিনি সুদের হার বাড়াচ্ছেন না। এই ভাষণের পর লিরার দাম সামান্য বাড়ে।

কিন্তু তুরস্কে এখন জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। মুদ্রাস্ফীতির হার ২০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। তা সত্ত্বেও এরদোগান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ককে সুদের হার সমানে কমাতে বলছেন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই নীতির ফলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে মুদ্রাস্ফীতির হার ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এরদোগান তার ভাষণে বলেছেন, তিনি ইসলামকে অনুসরণ করেই চলবেন। সেজন্যই তিনি সুদের হার কম করতে বলেছেন। তবে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সাহায্য করার কথা বলেছেন এবং পেনশন তহবিলে আরো অর্থ দেয়ার কথা জানিয়েছেন।

এরদোগান বলেছেন, ‘একজন মুসলিম হিসাবে আমি সেটাই করব, যা আমাকে ধর্ম করতে বলে। সেটাই আমার কাছে একমাত্র নীতিনির্দেশিকা’।

সোমবার একসময় লিরার দাম ডলারের তুলনায় ১১ শতাংশ কমে যায়। বেলার দিকে দাম কিছুটা বাড়ে। লিরার দাম কমে যাওয়ায় তুরস্কের সাধারণ মানুষ এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার ক্ষেত্রে বিপাকে পড়েছেন।

এরদোগানের ভাষণের পর লিরার দাম ১০ শতাংশ বাড়ে। নভেম্বরের গোড়া থেকে লিরার দাম ৪৫ শতাংশ পড়ে গেছে। সোমবার দেশের প্রধান শেয়ার বাজারে একসময় বেচাকেনা কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়।

বিদেশি কূটনীতিকরা মনে করছেন, এরদোগান ভাবছেন, আর্থিক উন্নতি হলে ২০২৩ সালের নির্বাচনে তিনি সহজে জিতবেন। এর ফলে তিন দশক ধরে তিনি তুরস্কে ক্ষমতায় থাকতে পারবেন।

এরদোগান মনে করেন, মুদ্রার দাম কম হলে রফতানি বাড়বে। কিন্তু অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মুদ্রাস্ফীতি কমাতে হলে সুদের হার বাড়াতে হবে। এর্দোয়ান আবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি মুদ্রাস্ফীতির হার চার শতাংশের মধ্যে রাখবেন।

গতমাসে এরদোগান বলেছিলেন, তিনি আর্থিক স্বাধীনতার লড়াই লড়ছেন। লক্ষ্য হলো, তুরস্ককে বিদেশি বিনিয়োগের নির্ভরতা থেকে বের করে আনা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ