শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রাজনৈতিক দল হিসেবে গণসংহতি আন্দোলনকে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী নিবন্ধন না দেয়ার অভিযোগে এই রুল জারি করা হয়।

গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকির করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এই রুল জারি করেন।

প্রধান নির্বাচন কনিশনারকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান জোনায়েদ সাকীর আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

তিনি বলেন, গণসংহতি আন্দোলনকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দেয়ার বিষয়ে হাইকোর্টের রায় ও নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

তিনি আরো বলেন, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সময়ে ঘটা বিষয়টি নিয়ে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হলেও এখন নতুন সিইসি আসায় আদালত অবমাননার রুলটি কাজী হাবিবুল আউয়ালের বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে।

‘গণসংহতি আন্দোলন’ রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন চেয়ে ২০১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এক পত্রের মাধ্যমে নিবন্ধন করা যাবে না মর্মে তাদের অবহিত করে।

পরবর্তীতে গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষে দলটির প্রধান সমন্বয়ক মো. জোনায়েদ সাকি হাইকোর্টে রিট করেন। এই রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল রুল মঞ্জুর করেন রায় দেন। সেই রায় ও আদেশের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নিবন্ধন প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়।

এরপর গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে রায় ও আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি যথাসময়ে নির্বাচন কমিশনকে দাখিল করা হয় এবং আদালত থেকেও নিয়ম অনুযায়ী রায় ও আদেশের অনুলিপি প্রেরণ করা হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ