বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজার জেলা জমিয়তের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা ঢাকাস্থ জামালপুর জেলা ওলামা পরিষদের পুরস্কার প্রদান ৩ অক্টোবর মাঝ আকাশে ককপিটে দুই পাইলটের মারামারি, ছুরিকাহত একজন সিদ্ধিরগঞ্জের গ্লোবাল এডুকেশনে প্রধান ও সহকারী বাবুর্চি নিয়োগ সায়েদাবাদের দূরপাল্লার বাস স্থানান্তর হচ্ছে কাঁচপুরে : ডিএসসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৪৮ জন মিরপুরে সংঘর্ষ: সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের আপত্তি নেই মরিয়ম পরিবারের গাজী নজরুলের জামিনে ‘প্রতিবাদের নামে অশ্লীলতা ছড়ানোর কর্মসূচি প্রত্যাহার করুন’ চীনের বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আজকের এইদিনে জাতি হারিয়েছিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: তিনি গেয়েছিলেন মানবতার জয়গান। লিখেছিলেন 'গাহি সাম্যের গান/মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান...'। দ্রোহ ও প্রেমে, কোমলে-কঠোরে বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে যোগ করেছিলেন নতুন মাত্রা। তিনি কাজী নজরুল ইসলাম। আমাদের জাতীয় কবি।

আজ তার ৪৬তম প্রয়াণ বার্ষিকী। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ৭৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। জাতি আজ পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করবে 'বিদ্রোহী কবি' নামে খ্যাত প্রিয় কবিকে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃতু্যবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ মে) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার

আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে। নির্মম দারিদ্র্য থেকে অসামান্য প্রতিভায় তিনি অভিষিক্ত হয়েছিলেন। আজীবন বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গি আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সংগ্রাম করেছেন শোষিত মানুষের মুক্তির জন্য। যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনি জীবনেও। সোচ্চার ছিলেন সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার, কূপমন্ডূকতার বিরুদ্ধে। তরুণদের কাছে তিনি বিদ্রোহের অনন্ত প্রতীক। সংগীত, নাটক, ছোটগল্প, উপন্যাসসহ সাহিত্যের সব শাখায় অবদান রাখলেও মূলত কবি হিসেবেই তিনি বেশি খ্যাত। তার লেখা গান বাংলা গানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে কবি নজরুলকে সপরিবারে বাংলাদেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কাজী নজরুল ইসলামকে ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। পরে তাকে দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় একুশে পদক। কবির জীবনের শেষ দিনগুলো কাটে তৎকালীন পিজি হাসপাতালে।

কবি এসেছিলেন জ্যৈষ্ঠে। বিদায় নিয়েছেন ভাদ্রে। শোষিত-নিপীড়িত মানুষের বঞ্চনার ক্ষোভ দীপ্ত শিখার মতো জ্বলে উঠেছিল তার কণ্ঠে। সাম্প্রদায়িকতার বিষকে দূর করে তুলে এনেছিলেà