শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

সুইস অ্যাকাউন্টধারীদের বের করতে বাংলাদেশের চুক্তি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা ৮ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। এর উৎস ও মালিকদের তথ্য জানতে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে অটোমেটিক এক্সচেঞ্জ অব ইনফরমেশন (এইওআই) চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

এর মাধ্যমে জানা যাবে অ্যাকাউন্টধারীর সব তথ্য। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এইওআই চুক্তি হবে পাচারের টাকা দেশে ফেরানোর হাতিয়ার।

সুইস কর্তৃপক্ষের কাছে আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের আন্তর্জাতিক ফোরাম- এগমন্ড গ্রুপের মাধ্যমে দফায় দফায় ৬৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের তথ্য চাওয়া হলেও মিলেছে মাত্র একজনের তথ্য। তাও আবার পাওয়া তথ্য ব্যবহারে আছে নানা জটিলতা।

এবার তাই ভারতসহ বিশ্বের ৯০টি দেশের মতো সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে এইওআই চুক্তি করার কথা ভাবছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বিআইএফউ, এনবিআর, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুদকসহ রাষ্ট্রের ৮টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ চুক্তির আওতায় প্রবাসী ও দেশীয় সংস্থার প্রায় ৩৪ লাখ সুইস ব্যাংক হিসাবের তথ্য ভারত সরকারকে দেয় সুইস সরকার। যেখানে অ্যাকাউন্টধারীর নাম-ঠিকানাসহ আছে বিস্তারিত তথ্য।

এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কৌঁসুলি খুরশিদ আলম খান সংবাদমাধ্যমকে জানান, আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং হয়েছে। টাকা আনার ব্যাপারে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি করতে সোচ্চার বাংলাদেশ। এই বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

২০১৬ থেকে ২০২০ সাল নাগাদ, মাত্র ৫ বছরে দেশ থেকে ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। শুধু ২০১৫ সালে এক বছরেই পাচার হয় ৯৮ হাজার কোটি টাকা। পাচার হওয়া টাকার পরিমাণ বিবেচনায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় বাংলাদেশ।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ