
|
প্রতিযোগী নয়, সহযোগী ভাবুন
প্রকাশ:
২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:১০ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
|| মুফতি এনায়েতুল্লাহ || আলেম-উলামাদের মাঝে কেউ ইমাম, আপনি খতিব কিংবা মাদরাসার মুহতামিম। কেউ রাজনীতির মাঠে সরব, নানা সামাজিক ও মানবিক কাজে এগিয়ে। আপনি ভালো বক্তা, শক্তিমান লেখক, বুদ্ধিমান তার্কিক, চমৎকার উপস্থাপক, কোনো সংগঠনের ভালো দায়িত্বে আছেন। আরেকজন ভালো কারি, সুযোগ্য হাফেজ কিংবা শায়খুল হাদিস। আপনি সাংবাদিক, তিনি প্রকাশক কিংবা উদ্যোক্তা। আপনি বাপা-দাদার নামে অর্থাৎ পারিবারিক কারণে, তিনি খ্যাতিমান নিজ চেষ্টায়। আপনি এই সংগঠনের বড় কর্তা, তিনি আরেক সংগঠনের দায়িত্বশীল। আপনি পাঠক তিনি লেখক, তিনি ডিজাইনার আপনি গ্রাহক। এখানে কেউ কারও প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। সবার কর্মক্ষেত্র আলাদা, ভিন্ন। তার পরও দেখা যায়, একজন আরেকজনকে প্রতিযোগী মনে করছেন। কাজে-কর্মে মিল না থাকার পরও একজন আরকজনের কাজের অহেতুক সমালোচনা করছেন, পেছনে নানা কথা বলছেন। কারণ রাজনৈতিক মতপার্থক্য, কেন ভাই? রাজনীতির মতো একটি ঠুনকো বিষয় নিয়ে আপনি লোকটির কীর্তি-কৃতিত্ব প্রতিভা সব ভুলে যাবেন? এটা কেমন ইনসাফ? সবাই কী এক মতাদর্শে চলবে? তাহলে ভিন্নমত কেন সহ্য করতে পারছেন না? এভাবেই চলছে আমাদের দুনিয়া। এই পরিস্থিতির অবসান দরকার। দরকার মানে খুব খুব দরকার। বলি, যে যেখানে কাজ করছেন, তাকে সেই কাজটাই করতে দেন। তার কাজে আপনার বা আমার নাক গলানোর কি দরকার? আপনি তো সব কাজ একা সামাল দিতে পারবেন না। সুতরাং একে অপরকে প্রতিযোগী কিংবা প্রতিস্পর্ধী, প্রতিদ্বন্দ্বী ও প্রতিপক্ষ না ভেবে সহযোগী মনে করা দরকার। তাতে যে যার কাজটি ভালোভাবে করতে পারবেন। দৃষ্টিভঙ্গিতে বদল আনার এখনই সময়। মনে রাখবেন, দুনিয়া অনেক এগিয়ে গেছে? আর আপনার বিরোধীতায় কেউ পেছনে থাকবে না, শুধু আপনিই অন্তর্জ্বালায় ভুগবেন! লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও বিশ্লেষক |