
|
তুরস্ক সফরে এমপি হানজালা, আয়া সুফিয়াসহ দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন
প্রকাশ:
১০ জুলাই, ২০২৬, ০৯:১৫ রাত
নিউজ ডেস্ক |
নিজস্ব প্রতিবেদক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য পীরজাদা হানজালা তুরস্ক সফর করছেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি ইস্তাম্বুলের ঐতিহাসিক আয়া সুফিয়া মসজিদ ও সুলতান আহমেদ মসজিদসহ দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি আয়া সুফিয়াকে মুসলিম বিশ্বের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নানা রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সাক্ষী থাকা এই স্থাপনাটি মুসলিম ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক। আয়া সুফিয়ার ইতিহাস তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, ৫৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাইজান্টাইন সম্রাট প্রথম জাস্টিনিয়ানের আমলে এটি গির্জা হিসেবে নির্মিত হয়। পরে ১৪৫৩ সালে অটোমান সুলতান ফাতিহ সুলতান মুহাম্মদ কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের পর এটিকে মসজিদে রূপান্তর করেন। ১৯৩৫ সালে মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক এটিকে জাদুঘরে রূপ দেন। পরবর্তীতে ২০২০ সালে আদালতের রায়ের পর প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান-এর সরকারের উদ্যোগে আয়া সুফিয়া আবারও মসজিদ হিসেবে চালু হয়। পীরজাদা হানজালা বলেন, আয়া সুফিয়া শুধু একটি মসজিদ নয়; এটি মুসলমানদের হারানো এক ঐতিহ্যের প্রতীক। তিনি আরও জানান, ৮ জুলাই তুরস্কের উদ্দেশে যাত্রা করেন এবং এই সফরে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নীতিনির্ধারক ও বিশিষ্টজনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও পারস্পরিক মতবিনিময়ের সুযোগ হবে বলে আশা করছেন। দেশ, জনগণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার স্বার্থে ফলপ্রসূ আলোচনা এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি। ইস্তাম্বুলের আরেক ঐতিহাসিক স্থাপনা সুলতান আহমেদ মসজিদ -এর সামনে তোলা ছবি শেয়ার করে তিনি এটিকে ‘শতাব্দীর ইতিহাসের নীরব সাক্ষী’ হিসেবে আখ্যা দেন। প্রসঙ্গত, তুরস্ক সফরের আগে পীরজাদা হানজালা ইরান সফর করেন এবং সেখানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নেন। এরপরই তিনি তুরস্ক সফরে যান এবং দেশটির বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করছেন। আওয়ার ইসলাম/আইও |