সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ সরকারের
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৬ দুপুর
নিউজ ডেস্ক

দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এর ফলে উপজেলা পর্যায়েই চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়বে এবং রাজধানীর হাসপাতালগুলোর ওপর রোগীর চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করছেন তিনি।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতের অবকাঠামোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।’

তিনি জানান, দেশের জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ১০টি করে এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ৫০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কিডনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বাস্থ্যখাতে এবারের বাজেটকে সর্বোচ্চ উল্লেখ করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি জনবল সংকট দূর করতেও কাজ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে দেশব্যাপী নার্স নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং বর্তমানে পুলিশ ভেরিফিকেশন চলছে।’

এছাড়া দেশে এইচআইভি বা এইডস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেমিনারে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনকে আগামী দুই মাসের মধ্যে ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে চিকিৎসা খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আবার যেসব মেশিন আনা হয়েছিল তা ব্যবহার অযোগ্য; যেখানে শুধুই লক্ষ-কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকার স্বাস্থ্যখাতে লাখ লাখ টাকা অপচয় করেছে শুধু অবকাঠামো করে। এতে মানুষের কোনো উপকারে আসেনি। বর্তমান সরকার অবকাঠামোর সঙ্গে সঙ্গে জনবল নিয়োগেও গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশব্যাপী নার্স নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে, পুলিশ ভেরিফিকেশন চলছে।

প্রতিবেশী দেশ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি আটকে রাখতে চায় ভারত, আমরাও নতুন করে বাঁধ দিয়ে পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করছি। তারা ফারাক্কা আটকালে আমরা তিস্তা আটকাবো। এসব পানি শুষ্ক মৌসুমে কাজে লাগানো হবে।

আইও/