
|
হারামাইনের নিরাপত্তায় কোনো আপস নয়, সহায়তা দিচ্ছে পাকিস্তান
প্রকাশ:
১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৪:৩৯ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
আন্তর্জাতিক ডেস্ক সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। বিশেষ করে পবিত্র দুই মসজিদ—মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে দেশটি। একই সঙ্গে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্র। রোববার (১৮ অক্টোবর) সৌদি সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা পাকিস্তানের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, তা দেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও দেওয়া হবে। তবে সৌদি আরবকে কী পরিমাণ সামরিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি তিনি। তাঁর ভাষ্য, প্রতিরক্ষা জোটগুলো সাধারণত প্রকাশ্যে তাদের সহায়তার ধরন ও পরিমাণ জানায় না। যৌথ প্রতিরক্ষা জোটের উদ্দেশ্য তুলে ধরে আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, এ জোটের লক্ষ্য আক্রমণ চালানো নয়; বরং সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানো। কোনো সদস্য রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হলে সম্মিলিতভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর ব্যবস্থা রয়েছে। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা ও সংঘাত সৃষ্টিকারীদের কাছে প্রতিরোধের বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। হুথিদের হামলার প্রেক্ষাপটে ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের যোগাযোগের বিষয়েও কথা বলেন দেশটির সামরিক মুখপাত্র। তেহরানকে কোনো সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উত্তেজনা কমানো ও সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে পাকিস্তান সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। তাঁর মতে, সামরিক সংঘাত বাড়িয়ে কোনো সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর একে অপরের ওপর হামলা বন্ধ করা উচিত। সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে তা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জন্য ক্ষতিকর হবে এবং পুরো অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে। সূত্র: ডন এসএইচ/ |