
|
রাষ্ট্রপতির বক্তব্য প্রত্যাহার চায় জমিয়ত
প্রকাশ:
২০ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল
নিউজ ডেস্ক |
নিজস্ব প্রতিবেদক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির দেওয়া বক্তব্যের একটি অংশ নিয়ে উদ্বেগ ও আপত্তি জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটি বলেছে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তির বক্তব্যে ধর্মীয় সংবেদনশীলতা ও সাংবিধানিক দায়িত্বশীলতার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়া উচিত। সোমবার (১৯ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শায়খুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইসলামের মৌলিক আকিদা অনুযায়ী, মহান আল্লাহ তাআলাই সমগ্র বিশ্বজগতের একমাত্র স্রষ্টা, পালনকর্তা ও রক্ষাকর্তা। কোনো দেব-দেবীকে সমগ্র পৃথিবীর ত্রাণকর্তা বা রক্ষাকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করা ইসলামের তাওহিদি বিশ্বাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থাকা কোনো ব্যক্তির এমন শব্দ বা বক্তব্য ব্যবহার করা উচিত নয়, যা দেশের বিপুলসংখ্যক মুসলিম নাগরিকের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে। জমিয়ত সভাপতি আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ। সব ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রয়েছে। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে। তবে ধর্মীয় সম্প্রীতির নামে কোনো ধর্মের মৌলিক বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বক্তব্যকে গ্রহণযোগ্য করে তোলা যায় না। বিবৃতিতে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের সংশ্লিষ্ট অংশ পুনর্বিবেচনা করে প্রত্যাহার এবং এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধর্মীয়ভাবে সংবেদনশীল বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ জানান মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক। তিনি বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে—এমন বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড যেন দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এসএইচ/ |