শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

বন্যায় দুর্ভোগে তিস্তাপারের মানুষ, ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন অনেকে


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

গত কয়েকদিনের ভারি বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া তিস্তার পানি কমলেও দুর্ভোগ বেড়েছে নদীপারের মানুষদের। রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তাপারে সৃষ্ট বন্যায় পানিবন্দি পরিবারগুলো ঘরে ফিরতে পারেনি এখনও। সেতু প্রতিরক্ষা বাঁধ ধসে পড়ছে। ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় অনেকে তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বিপৎসীমার (৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার) ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও বেলা ১২টায় তা ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বেলা তিনটার পর থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। ফলে ভাটি এলাকাগুলোতে বন্যা দেখা দেয়। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব কটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। তবে শুক্রবার সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। 

আগামী দু’দিন এই অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানা গেছে । এতে রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু রক্ষা বাঁধটি গত দুই বছরের বন্যায় বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। গত কয়েকদিন ধরে নদীতে পানি বাড়া-কমায় সেতু রক্ষা বাঁধের প্রায় ৬০ মিটার জায়গায় ব্লক ধসে স্থানটিতে প্রায় ৭০ ফুট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। তীব্র স্রোত সরাসরি এসে আঘাত হানছে বাঁধের গায়ে। এতে নিচের অংশের মাটি ভেসে গিয়ে ধসে পড়ছে ব্লকগুলো। 

এমএম/ 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ