সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


পাহাড়ের খাবার এখন শহরেই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান

ইট পাথরের এই নগরীতে পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নিতে চলে আসুন ব্যতিক্রমী রেস্তোঁরা হেবাং-এ। হেবাং মূলত একটি চাকমা খাবার ঘর। চাকমা ভাষার শব্দ ‘হেবাং’-এর অর্থ হচ্ছে ভাপে রান্না করা। এ পদ্ধতিতেই আদিবাসীরা তাদের বেশিরভাগ খাবার রান্না করে থাকেন। 

রেস্তোরাঁটির ভেতরে ঢুকতেই মনে হবে যেন চিরচেনা ব্যস্ত নগরী থেকে দূরে কোথাও চলে এসেছেন। কাঠ ও বাঁশ দিয়ে তৈরি কারুকার্য ঢাকার মতো ঘিঞ্জি শহরেও আপনাকে এনে দিবে পাহাড়ের অনুভূতি। আর তার সাথে যদি থাকে পাহাড়ি খাবারের সমারোহ তাহলে তো কথাই নেই।

রেস্তোরাঁটিতে পাহাড়ি পরিবেশ আনতে বাঁশ দিয়ে আদিবাসীদের ঘরের বাইরে থাকা বারান্দার মতো ছোট ঘর তৈরি করা হয়েছে। রেস্টুরেন্টের ভেতরে ঢুকতেই প্রথমে চোখে পড়বে বাঁশের তৈরি খুপরির মতো এই জায়গাটি। খড় দিয়ে তৈরি চালার ছাউনির ওপর সাজিয়ে রাখা হয়েছে বেতের ঝুড়ি এবং মেঝেতে পাতা হয়েছে মাদুর।

রেস্তোরাঁটিতে রঙে আঁকা ছোটবড় দেয়ালচিত্রেও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আদিবাসীদের জীবনচিত্র। সময় স্বল্পতার জন্য যারা পাহাড়ে যেতে পারছেন না বা পাহাড়ি পরিবেশে অবসর বিকেল কাটাতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য 'হেবাং' হতে পারে মোক্ষম ঠিকানা। সাথে থাকছে পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় খাবারও।&