শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

পানির নিচে শব্দের চেয়েও দ্রুতগতিতে ছুটবে চীনের লেজারচালিত সাবমেরিন!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ মিজানুর রহমান  

চীনা বিজ্ঞানীরা এমন এক যুগান্তকারী প্রযুক্তির উপর কাজ করছেন, যা ভবিষ্যতের নৌসেনা প্রযুক্তিতে বিপ্লব আনতে পারে। হারবিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল উদ্ভাবন করতে যাচ্ছে এমন একটি উচ্চ-প্রযুক্তির সাবমেরিন, যা পানির নিচে সুপারসনিক (শব্দের গতির চেয়েও বেশি) বেগে চলতে পারবে—তাও আবার লেজার প্রযুক্তির সাহায্যে!

প্রযুক্তির মূল ধারণা কী?

গবেষকরা এমন একটি “আন্ডারওয়াটার ফাইবার লেজার-ইনডিউসড প্লাজমা ডিটোনেশন ওয়েভ প্রপালশন” প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন, যেখানে সাবমেরিনের বাইরের অংশে বসানো হবে অতি সূক্ষ্ম অপটিক্যাল ফাইবার। এসব ফাইবার থেকে নির্গত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন লেজার রশ্মি আশপাশের পানি তাৎক্ষণিকভাবে বাষ্পীভূত করে তৈরি করবে প্লাজমা। এই প্লাজমা তৈরি করবে বিস্ফোরণতুল্য ঠেলা (thrust), যা সাবমেরিনকে প্রচণ্ড বেগে সামনে ঠেলে নিয়ে যাবে।

এই প্রযুক্তির সম্ভাবনা কী?

গবেষকদের ভাষ্যমতে, এটি জেট ইঞ্জিনের মতো কাজ করবে, তবে পানির নিচে। যদি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে এটি হবে প্রথম সাবমেরিন প্রপালশন সিস্টেম, যা পানির প্রতিরোধ শক্তিকে কার্যত উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে পারবে শব্দের চেয়েও বেশি গতিতে।

চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা: এমন প্রযুক্তি বাস্তবে প্রয়োগ করতে হলে সমাধান করতে হবে অনেক জটিল পদার্থবিজ্ঞান ও তাপীয় সংকট। যেমন, প্লাজমা বিস্ফোরণের ফলে সাবমেরিনের কাঠামো কীভাবে অক্ষত থাকবে, কিংবা এতো উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপ কীভাবে সহ্য করবে—এসব প্রশ্ন এখনো গবেষণার পর্যায়ে।

চীনা গবেষকদের এই লেজারচালিত সাবমেরিন প্রকল্প এখনো প্রাথমিক স্তরে থাকলেও, এটি সফল হলে সামরিক ও বিজ্ঞানজগতে এক অভূতপূর্ব যুগের সূচনা ঘটাবে। পানির নিচে দ্রুতগতির মিশনে এটি হয়ে উঠতে পারে ভবিষ্যতের গেমচেঞ্জার।  

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ