শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস হেফাজতের আপত্তিকে ‘গঠনমূলক পরামর্শ’ হিসেবে দেখছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বৈঠক

গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে মমতার অভিযোগ উড়িয়ে দিল নয়াদিল্লি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গা চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।

শুক্রবার (২৮ জুন) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র স্পষ্ট করে দেন, মমতার অভিযোগ সারবত্তাহীন।

চুক্তিটি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি ও আপত্তি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি ২০২৬ সালে নবায়ন করার কথা। এই লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনার একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে পশ্চিমবঙ্গসহ সব অংশীদারকে রাখা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারও নিয়মিতভাবে সেই কমিটির বৈঠকে অংশ নিচ্ছে।
 
জয়সোয়াল বলেন, গত ৫ এপ্রিলও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধি বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

খাবার ও শিল্পের জন্য পানির বিষয়টি ২০২৬ সালের পরেও চুক্তিতে রাখার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার চিঠি পাঠিয়েছে। কমিটি ইতিমধ্যে তার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ওই প্রতিবেদন পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরে গঙ্গা চুক্তির নবায়ন প্রসঙ্গটি আলোচিত হয়।  

৩০ বছরের ওই চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হচ্ছে। চুক্তি নবায়ন বিবেচনার জন্য দুই দেশের মধ্যে কারিগরি একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীদের বৈঠকের পর এ-সংক্রান্ত ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।

পরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, এই বিষয়ে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। তবে কেন্দ্র সরকার মমতার অভিযোগ উড়িয়ে দিল।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ