|| মুফতি আরিফুল ইসলাম ||
ঐশী গ্রন্থ আল কুরআন, বিশ্ববাসীকে দেয়া রাব্বুল আলামিনের অনন্য এক নেয়ামত। পৃথিবীবাসীর হেদায়েতের জন্য নাযিল হয়েছে কুরআন। হক ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্যকারী। মানবজাতীর ইহকাল ও পরকালীন শান্তির বার্তা। আজ আমরা হেদায়েতের এ আলো থেকে বঞ্চিত। অশান্তির দাবানলে পুড়ে মরছি সারাক্ষণ। কোরআন থেকে দূরে সরে নিজ রচিত মতাদর্শের জালে ঘূরপাক খাচ্ছি। মুসলমানের ঘরে জন্ম নেয়া সত্ত্বেও কোরআন পড়তে পারি না। এর কারণ জানতে হলে কোরআন নাযিলের প্রেক্ষাপটটা জানতে হবে।
কুরআনের জন্য রাসূলের ত্যাগ
আজ থেকে চৌদ্দশত বছর পূর্বে হেরায় গুহায় নাযিল হয় আল কুরআন। হুজুর সা. বয়স তখন চল্লিশ বছর। হুজুর সা. সব কিছু থেকে আলাদা হয়ে মক্কার অদূরে জাবালে নূরে ধ্যান করেন। ছাতু আর পানিই রাসূল সা.-এর খাবার। মাসকে মাস ওখানেই পড়ে থাকতেন। প্রায় এক হাজার ফিট উপরে উঠে এক জায়নামাজ পরিমান জায়গায় আল্লাহর পর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষটি ধ্যানমগ্ন থাকতেন।
একবার হযরত জীবরাঈল আ. ওহী নিয়ে আগমন করেন। হুজুর সা. -কে বললেন,
