শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :

বিশ্বজয়ী হাফেজদের রাষ্ট্রীয় মূল্যায়নের দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সিলেটে কোরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী হাফেজে কোরআনরা বাংলাদেশের মর্যাদা ও সুনামকে সমুন্বত করছেন। দেশের ইতিবাচক পরিচয় বিনির্মাণে অবদান রাখছেন। সময় এসেছে বিশ্বজয়ী হাফিজদের কৃতিত্বের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মূল্যায়নের।’

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ইলমপাথ নেটওয়ার্ক আয়োজিত কোরআন কম্পিটিশনে বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা এ দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গ্র্যান্ড সিলেট হোটেলের ম্যানেজিং ডিরেক্ট ফখরুদ্দিন রাজি বলেন, খুদে শিশুরা কোরআন মুখস্থ করে প্রমাণ করেছে, চেষ্টা ও সাধনা থাকলে অসাধ্যকেও আয়ত্ব করা সম্ভব। তিনি পুরস্কারপ্রাপ্তদের শুভেচ্ছা ও অংশগ্রহণকারীদের শুভকামনা জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিরাত মিডিয়ার সিইও, সাংবাদিক নোমান বিন আরমান বলেন, সাহিত্য-শিল্পকর্ম, খেলা-বিনোদনের জন্য রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। কিন্তু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশি হাফেজরা বিশ্বজয় করলেও তাদের মূল্যায়ন করা হয় না।  নির্বাচনে দেওয়া দলগুলোর ইশতেহার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। আমরা দেখেছি, দলগুলো তাদের ইশতেহারে কওমি মাদরাসার শিক্ষা, বিশেষত বিশ্বজয়ী হাফেজদের মূল্যায়ন করার ভাবনা-পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছে। এই পরিকল্পনা বাস্তায়ন করার সময় এসেছে। আগামীর বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজে কোরআনদের রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

মারকাজুন নূর তাহফিজুল কুরআন মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা তাওহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও নাশিদ শিল্পী শেখ এনামের সঞ্চালনয় বক্তব্য রাখেন সিলেট মদন মোহন কলেজের হেড অব ইসলামিক ডিপার্টমেন্ট যিননূরাইন, মাওলানা হাদি চৌধুরী। তেলাওয়াত পরিবেশন করেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফিজ মাসউদ বিন খলিল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইলমপাথের প্রতিনিধি মাহমুদ হাসান।

গ্র্যান্ড সিলেট হোটেলে সোমবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে দশজন বিজয়ীকে সনদপত্র, উত্তরীয়, মেডেল ও গিফট বক্স প্রদান করা করা হয়। প্রথম তিন বিজয়ীকে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় নগদ অর্থ। আন্তর্জাতিক পরিসরে কোরআন কম্পিটিশনের রিহার্সেল হিসেবে এই কম্পিটিশন আয়োজন করা হয় বলে জানায় ইলমপাথ নেটওয়ার্ক। শিক্ষাপ্রসারে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজ শুরু করেছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ