সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিনামূল্যে ৫০০ শিশুর সুন্নতে খতনা করাবে মারকাজুল ইসলামী 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নাজমুল হাসান সাকিব 

ভাসানচরের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া ৫০০ শিশুর জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সুন্নতে খতনা (Circumcision) কর্মসূচির আয়োজন করেছে সেবামূলক প্রতিষ্ঠান আল মারকাজুল ইসলামী।

আগামী ১০ আগস্ট ২০২৫ থেকে ১৭ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচি চলবে। স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত, দারিদ্র্যপীড়িত রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য এই উদ্যোগকে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন—  অভিজ্ঞ সার্জন/প্রশিক্ষিত ডাক্তার টিম এবং নিবেদিতপ্রাণ কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক।

আল মারকাজুল ইসলামী হাসপাতালের ডাইরেক্টর জেনারেল আব্দুল আহাদ খান আজহারী জানিয়েছে, প্রতিটি খতনা প্রক্রিয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালিত হবে। খতনার পর প্রাথমিক চিকিৎসা ও ওষুধপত্রও বিতরণ করা হবে বিনামূল্যে ইনশাআল্লাহ।

স্থানীয় প্রশাসন ও ক্যাম্প কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় পরিচালিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে শুধু ধর্মীয় দায়িত্বই নয়, বরং স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চায় সংগঠনটি।

আল মারকাজুল ইসলামীর সম্মানিত চেয়ারম্যান হামজা শহিদুল ইসলাম বলেন: ‘এখানকার লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছে। এর আগেও আমাদের ত্রাণ (খাদ্যসামগ্রী), নতুন পোশাক, গ‍্যাস সিলেন্ডার, কুরবানীর পশু ইত্যাদি বিতরণ করা হয়েছে। এখন আমরা ৫০০ শিশুর সুন্নতে খতনা সম্পন্ন করতে অচিরেই ভাসানচর রওয়ানা করবো। ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই, ইনশাআল্লাহ।’

জানা গেছে, স্থানীয় রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর মাঝে এ উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অনেকে জানিয়েছেন, এতোদিন খরচের ভয়ে সন্তানদের খতনা করাতে পারেননি। এবার তারা আনন্দের সঙ্গেই অংশ নিচ্ছেন।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ