সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন ‘পবিত্র ভূমিতে হামলা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের’ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে জামিয়া ইমদাদিয়ার শায়খুল হাদিস চাঁদ দেখা যায়নি, জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু মঙ্গলবার বরাদ্দকৃত অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশ ও জনগণের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী গণরায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: আমিরে মজলিস ‘হে কাবার মালিক! মক্কা-মদিনাকে হেফাজত করো’ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় প্রাণহানি, জমিয়তের শোক ও নিন্দা মালয়েশিয়ায় কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরাকে সংবর্ধনা দেবে সরকার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিনামূল্যে ৫০০ শিশুর সুন্নতে খতনা করাবে মারকাজুল ইসলামী 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নাজমুল হাসান সাকিব 

ভাসানচরের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া ৫০০ শিশুর জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সুন্নতে খতনা (Circumcision) কর্মসূচির আয়োজন করেছে সেবামূলক প্রতিষ্ঠান আল মারকাজুল ইসলামী।

আগামী ১০ আগস্ট ২০২৫ থেকে ১৭ আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচি চলবে। স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত, দারিদ্র্যপীড়িত রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য এই উদ্যোগকে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন—  অভিজ্ঞ সার্জন/প্রশিক্ষিত ডাক্তার টিম এবং নিবেদিতপ্রাণ কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক।

আল মারকাজুল ইসলামী হাসপাতালের ডাইরেক্টর জেনারেল আব্দুল আহাদ খান আজহারী জানিয়েছে, প্রতিটি খতনা প্রক্রিয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালিত হবে। খতনার পর প্রাথমিক চিকিৎসা ও ওষুধপত্রও বিতরণ করা হবে বিনামূল্যে ইনশাআল্লাহ।

স্থানীয় প্রশাসন ও ক্যাম্প কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় পরিচালিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে শুধু ধর্মীয় দায়িত্বই নয়, বরং স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চায় সংগঠনটি।

আল মারকাজুল ইসলামীর সম্মানিত চেয়ারম্যান হামজা শহিদুল ইসলাম বলেন: ‘এখানকার লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছে। এর আগেও আমাদের ত্রাণ (খাদ্যসামগ্রী), নতুন পোশাক, গ‍্যাস সিলেন্ডার, কুরবানীর পশু ইত্যাদি বিতরণ করা হয়েছে। এখন আমরা ৫০০ শিশুর সুন্নতে খতনা সম্পন্ন করতে অচিরেই ভাসানচর রওয়ানা করবো। ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই, ইনশাআল্লাহ।’

জানা গেছে, স্থানীয় রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর মাঝে এ উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অনেকে জানিয়েছেন, এতোদিন খরচের ভয়ে সন্তানদের খতনা করাতে পারেননি। এবার তারা আনন্দের সঙ্গেই অংশ নিচ্ছেন।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ