সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

সরকারি বই বিক্রি, অভিযুক্ত মাদরাসা সুপার পলাতক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

shariatpur govশরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় একটি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের সরকারি কিছু বই বিক্রি করে দিয়েছেন ওই প্রতিষ্ঠানের সুপার।

শুক্রবার সকালে উপজেলার শেখ ফজিলাতুন্নেছা দাখিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে মাদরাসা সুপার ফখরুল ইসলাম আনসারী পলাতক রয়েছেন।

এ ঘটনায় গোসাইরহাট থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা কর্মকতা।

গোসাইরহাট থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোসাইরহাট উপজেলা সদরের শেখ ফজিলাতুন্নেছা দাখিল মাদরাসার চলতি শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন শ্রেণীর ৭০৫টি বই বৃহস্পতিবার বিকালে গোপনে বিক্রি করে দেন মাদরাসা সুপার ফখরুল ইসলাম আনসারী। শুক্রবার সকালে একটি নসিমনে করে বইগুলো অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার সময় সামন্তসার বাংলাবাজার এলাকায় স্থানীয়রা গাড়িটি আটক করে। খবর পেয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জেল হোসেন ঘটনাস্থলে এসে বইগুলো উদ্ধার করেন। ঘটনার পর থেকে মাদরাসা সুপার পলাতক রয়েছেন। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী বলে জানা গেছে।

গোসাইরহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, মাদরাসা সুপার সরকারি বই বিক্রির বিষয়টি প্রথম পর্যায়ে স্বীকার করেছেন। কিন্তু বর্তমানে তিনি মোবাইল বন্ধ করে পালিয়ে গেছেন। তার বিরুদ্ধে সরকারি বই বিক্রির অপরাধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।

গোসাইরহাট থানার ওসি (তদন্ত) সৈয়দ এমদাদুল হক বলেন, সরকারি বই বিক্রির লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বইগুলো বর্তমানে শিক্ষা কর্মকর্তার জিম্মায় রয়েছে।

এ বিষয়ে জানার জন্য মাদরাসা সুপার ফখরুল ইসলাম আনসারীর বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া গেছে।

এআর