মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬ প্রবাসীদের জন্য বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের: আইনমন্ত্রী শায়খ আব্দুস সাত্তার: বীর মুজাহিদিনের প্রতিচ্ছবি সৌদিগামী আটকে পড়া যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থার দাবি ‘ড. সাঈদুর রহমান আজমি নদভির মৃত্যুতে একটি যুগের অবসান’ আরও ৩০৫ নেগরান-মুমতাহিন নিয়োগ দেবে আল-হাইআতুল উলয়া

পাঠ্যবইয়ে ভুল: পাল্টাপাল্টি দোষারোপ দুই মন্ত্রণালয়ের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

boi_silebasআওয়ার ইসলাম: নতুন পাঠ্যপুস্তকে ভুলের জন্য শিক্ষাখাত সংশ্লিষ্ট সরকারের দুই মন্ত্রণালয়ের কেউ দায়িত্ব নিতে চাইছে না; তারা একে অন‌্যের উপর দোষ চাপাচ্ছে।

ফলে পাঠ্যবইয়ের ভুল-ক্রটি পর্যালোচনায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) একটি কমিটি করলেও কারা দায়ী, তা বই বিতরণের নয় দিন পরেও চিহ্নিত হয়নি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দাবি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এনসিটিবির প্রাথমিক উইংয়ের ২৪টি পদের ২০টিতেই নিজেদের ‘অযোগ্য’ কর্মকর্তাদের বসিয়ে রাখায় প্রাথমিকের বইয়ে ভুল থেকে গেছে।

অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলছেন, গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেরিতে পাণ্ডুলিপি জমা দেওয়ার তা যাচাই-বাছাই না করেই ছাপাখানায় পাঠাতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ তারা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা এনসিটিবি থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বই ছাপিয়ে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তা বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।

গত আট বছরে ২২৫ কোটি ৪৫ লাখ ১১ হাজার ৭৫০টি বই ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকার।

ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির সব বই এবার বাংলাদেশের ছাপাখানায় মুদ্রণ হলেও বিশ্ব ব্যাংকের কিছু আর্থিক সহায়তায় প্রাথমিকের বই ছাপাতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করতে হয়েছিল।

এবারের প্রাথমিকের ৫০ লাখ বই মুদ্রণের কাজ পায় ভারতের একটি প্রতিষ্ঠান, যদিও সোমবার পর্যন্ত ওই সব বই বাংলাদেশে পৌঁছেনি।

গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এনসিটিবিতে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক উইং নামে দুটি সম্পাদনা পরিষদ আছে। প্রাথমিক উইংয়ের ২৪টি পদের ২০টিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অযোগ্য কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে রেখেছে।”

গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা কর্মকর্তাদের এনসিটিবির প্রাথমিক উইংয়ের পদগুলোতে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে প্রাথমিকের মাত্র চার কর্মকর্তাকে ‘বিষয়-বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

“২৪টি পোস্ট আমাদের উছিলায় সৃষ্টি হল, কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের মতো করে অযোগ্য লোকদের এখানে বসিয়েছে শুধু তাদের (কর্মকর্তাদের) ঢাকায় থাকার জন্য। এনসিটিবিতে আমরা নিধিরাম সর্দার।”

রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছে জানিয়ে গিয়াস উদ্দিন বলেন, “