ইমদাদ ফয়েজী: কুলাউড়া উপজেলার ছখাপন গ্রামের জুয়েল আহমদ তার অন্তসত্তা স্ত্রীকে ভর্তি করেন সিলেট নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অবস্থান নেন ৫২১ নং কেবিনে।
২৭ ফেব্রুয়ারি ভূমিষ্ট হয় এক পুত্রসন্তান। নাম রাখা হয় 'রিফাত'। পরের দিনই সে শিকার হয় ভুল চিকিৎসার।
ডাক্তারের নির্দেশে ইন্টার্নি চিকিৎসক ও নার্সরা মিলে তার শরীরে শুরু করেন ইলেকট্রিক হিট দেয়া।
অদক্ষ ডাক্তার নার্সদের ভুল চিকিৎসা আর খামখেয়ালিতে দু'দিনের নবজাতক রিফাতের শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গসহ অনেকটাই পুড়ে বিভৎস হয়ে গেছে। যা দেখা মাত্রই অশ্রুসিক্ত হচ্ছে যে কোনো দর্শকের চোখ।
প্রত্যক্ষদর্শী এডভোকেট কামরুল হাসান জানিয়েছেন, 'হাসপাতালের হিটার অনেক আগে থেকেই নষ্ট কিন্তু; তা দিয়েই চলছে হিট দেয়ার কাজ।
তিনি দুঃখভরা কণ্ঠে বলেন, টাকা থাকলে মেডিকেলে পড়ে ডাক্তার হওয়া যায়, সার্টিফিকেট পাওয়া যায় কিন্তু; প্রকৃত ডাক্তার হওয়া যায়না। সেবা প্রদানের নামে মানুষকে যদি উপার্জনের হাতিয়ার বানানো হয় তবে মনুষ্যত্ব থাকলো কই। আর সেটাই প্রমাণ করলো নর্থ ইস্ট হাসপাতাল।'
আরেকজন বলেন, 'চিকিৎসার নামে ওরা মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। ওরা সেবক নয়, কসাই হয়ে বসে আছে।'
এআর