শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

প্রধানমন্ত্রী ‘মূর্তি পছন্দ করেন না’ বলে ঈমানের পরিচয় দিয়েছেন: প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইমদাদ ফয়েজী, সিলেট প্রতিনিধি

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর, জামেয়া মাদানিয়া কাজিরবাজার এর প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমান বলেছেন, দু’শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কওমী শিক্ষার স্বীকৃতি প্রদান করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। যা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, কওমী মাদরাসা এদেশের তৃণমূল জনসাধারণের সাথে সম্পৃক্ত, সাধারণ জনগণের অর্থ-সাহায্যের মাধ্যমে তা পরিচালনা করে। কওমী শিক্ষার স্বীকৃতির কারণে দেশের মানুষ আনন্দিত। তবে গুটি কয়েক বাম ও মাজারপন্থীদের গা জ্বালা শুরু হয়েছে। কেননা কওমী মাদরাসা সকল বাতিল ও নাস্তিকদের ত্রাস। মুশরিক ও কমিউনিষ্টরা এসব দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের উন্নতি মেনে নিতে পারে না।

প্রিন্সিপাল হাবীব কওমী স্বীকৃতি ও সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপিত মূর্তি অপসারণের ঘোষণা দেয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে মোবারকবাদ জানিয়ে বলেন, যত দ্রত স্বীকৃতি বাস্তবায়ন হবে এবং মূর্তি অপসরণের ঘোষণা বাস্তবায়ন হবে, ততো বেশি দেশ-জাতির কল্যাণ হবে।

প্রধানমন্ত্রী মূর্তি পছন্দ করেন না বলে নিজ ঈমানের বহিঃপ্রকাশ করেছেন। দ্রত মূতি অপসারণের মাধ্যমে সেই ঈমানী চেতনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি গতকাল বুধবার ঐতিহ্যবাহী জামেয়া মাদানিয়া ইসলামিয়া কাজিরবাজার এর উদ্যোগে কওমী শিক্ষার স্বীকৃতি ঘোষণায় শোকরানা মিছিল পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

জামেয়ার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা সামিউর রহমান মুসার পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জামেয়া মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ, মাওলানা মুসফিকুর রহমান মামুন, মাওলানা ফাহাদ আমান, ছাত্রনেতা তারেক বিন হাবিব, হাজী আব্বাস জালালী, নূর আহমদ সুমন, ইকরামুল হক জুনাঈদ, আবুল হুসাইন জিরান, হাফিজ কয়েছ আহমদ, মঈন উদ্দীন, হাফিজ হিফজুর রহমান প্রমুখ।

এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ