মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘কৃত্রিম জলাবদ্ধতা’ তৈরির সত্যতা পেলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী অমিত ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার চিন্তা করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ৯৮ হাজার টাকায় হজযাত্রীদের পরিবহন করতে চায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ভুল দুই প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোকবইয়ে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের পক্ষে সই কাতারের সাবেক আমিরের ইন্তেকালে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করলেন আমিরে মজলিস ভারতে মুসলিম কিশোরীকে অপহরণ ও গণধর্ষণ, গ্রেফতার ২ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

নরসিংদীতে রক্তক্ষয়ী টেঁটাযুদ্ধ, নিহত ২

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী টেঁটাযুদ্ধ হয়েছে।

সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে আরুশ আলী ও জয়নাল নামের দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন। সংঘর্ষের সময় ৩০ থেকে ৩৫টি বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

আজ সোমবার দুপুরে রায়পুরার মেঘনা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল বাঁশগাড়িতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিহত দুজনই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান সাহেদের সমর্থক।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বাশঁগাড়ী এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল হক ও সাবেক চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান সাহেদের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। গত ইউপি নির্বাচনে বাঁশগাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান সাহেদ পরাজিত হওয়ার পর উভয় পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে উঠে। ইউপি নির্বাচনে জয় পরাজয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল হকের সমর্থকদের তোপের মুখে এলাকা ছেড়ে পালান সাহেদ সমর্থকরা। এই নিয়ে সাহেদ সমর্থকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা চলে আসছিল। দীর্ঘ দিন গ্রাম ছাড়া থাকার পর গত মাসে সাহেদ সমর্থকরা গ্রামে ফেরার উদ্যোগ নেয়। এই খবরে সিরাজুল হক চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে, তারা শক্তি সঞ্চয় করে শক্ত অবস্থান নেয়।

এ নিয়ে গত মাসে উভপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত ও শতাধিক আহত হয়। পরে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। প্রশাসনের তৎপরতায় সংঘর্ষ সাময়িকভাবে বন্ধ হলেও কোনো সমাধান হয়নি।

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আজ সকাল থেকে উভয়পক্ষ সংঘর্ষের প্রস্তুতি নেয়। বেলা ১টার দিকে উভয় পক্ষ টেঁটা, বল্লম, দাসহ অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংষর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুজন নিহত হয়। গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় কমপক্ষে ২০ জন। ওই সময় প্রতিপক্ষরা ৩০ থেকে ৩৫টি বসতঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

খবর পেয়ে রায়পুরা থানা পুলিশের পাশাপাশি জেলা সদর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শফিউর রহমান বলেন, পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। এ পর্যন্ত দুজন নিহত হয়েছে। বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

মসজিদ বন্ধ করার খাহেশ পূরণ হলো না লে পেনের

স্বতন্ত্র ইসলামি জোট; লাভ লসের হিসাব কষছেন নেতারা


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ