রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

কসাইখানা বন্ধ নয়; বৈধ কসাইখানা তৈরি করা সরকারের দায়িত্ব: যোগিকে হাইকোর্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কসাইখানা তৈরি করার দায়িত্ব সরকারের নয় বলে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যে দেয়া যোগি সরকারের বক্তব্য খারিজ করে দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

ভারতের বিজেপিশাসিত উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার অবৈধ হওয়ার অভিযোগ তুলে রাজ্যের সমস্ত কসাইখানা বন্ধ করে দিয়ে বলেছে কসাইখানা তৈরি করার দায়িত্ব সরকারের নয়।

এ নিয়ে  গোশত ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো আবেদনে জানানো হয়। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলা হয়, তাদের লাইসেন্সের মেয়াদ গত ৩১ মার্চ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু নবায়নের আবেদন জানানো সত্ত্বেও সরকার তা নবায়ন না করে  সমস্ত কসাইখানা বন্ধ করে দিয়েছে। আবেদনে গোস্ত ব্যবসায়ীরা লাইসেন্স নবায়নের দাবি জানান।

[caption id="" align="alignnone" width="426"] কসাইখানা বন্ধ হওয়ায় বেকার বসে আছেন গোশত ব্যবসায়ীরা[/caption]

গোশত ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বলেছে, আপনারা কারো গোশত খাওয়া বন্ধ করতে পারেন না। আদালত আরো বলেছে, রাজ্যে যদি বৈধ কসাইখানা না থাকে তাহলে বৈধ কসাইখানা তৈরি করা সরকারের দায়িত্ব।

হাইকোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ করে আগামী ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে কসাইখানার লাইসেন্স দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ১৭ জুলাই ওই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

হাইকোর্ট নয়া লাইসেন্স ইস্যু এবং পুরোনো লাইসেন্স নবায়ন না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কসাইখানা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে। এছাড়া আদালত সমস্ত গোশত ব্যবসায়ীকে নিজ নিজ জেলা কর্মকর্তার কার্যালয় ও জেলা পঞ্চায়েত কার্যালয়ে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে বলেছে।

হাইকোর্ট কত জনকে লাইসেন্স দেয়া হয়েছে এবং কত জনের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে তা রাজ্য সরকারের আইনজীবীকে আগামী ১৭ জুলাই জানানোর নির্দেশ দিয়েছে।

উত্তর প্রদেশে বিজেপি’র ফায়ারব্র্যান্ড নেতা যোগী আদিত্যনাথ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে সেখানে অবৈধ কসাইখানা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়। এরফলে কসাইখানার উপরে নির্ভরশীল বহু মানুষ রুটি-রুজি হারিয়ে গভীর সংকটে পড়েন। হাইকোর্টের ওই রায়ের ফলে তারা কিছুটা স্বস্তি পেলেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এক পরিসংখ্যানে প্রকাশ, উত্তর প্রদেশে গোশত ব্যবসায়ে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ৩ কোটি ৫৬ হাজার লোক যুক্ত রয়েছেন। এদের মধ্যে বড় অংশই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। কসাইখানা বন্ধে সংশ্লিষ্টরা বেকার হয়ে পড়েছেন।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি অবৈধ কসাইখানা বন্ধ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। যোগী আদিত্যনাথ সেখানে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে কসাইখানা বন্ধ হওয়া শুরু হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে যেকোনো কসাইখানা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ ওঠে। এমনকি মহিষের গোশতের দোকানেও হামলা চালায় বিজেপি-আরএসএস বাহিনী।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ