রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৬ মাসে কোনো গুম বা বিচার বহির্ভূত হত্যা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্যাতন, তবু অবিচল ঈমান ‘বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে’ ‘অস্বাভাবিকভাবে’ পানি বাড়ায় খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট ‘‎নিজেদের ব্যর্থতার দায় অতীতের উপর চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে’ নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে জমিয়তের মুজাকারা বৈঠক জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটিতে রয়েছেন যারা দেশের ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস সোনারগাঁওয়ের গণঐক্যই ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ: আমিরে মজলিস

মৃণাল হক মুসলমান নামের কলঙ্ক: চরমোনাই পীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, মাহে রমজানের শিক্ষা সমাজে না থাকায় মানুষ মনুষ্যত্ব হারিয়ে ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ইসলাম সম্পর্কে ধারণা না থাকায় কতিপয় মানুষ নিজেদেরকে মুসলমান বলে পরিচয় দিয়েও মুসলমান ও ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে দেখা যায়।

তিনি বলেন, ইদানিং মূর্তির পক্ষে অনেক মুসলমান অবস্থান নিয়ে নিজেদের ঈমানকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। নাস্তিক বেঈমান মৃণাল হক মূর্তির মিশন নিয়ে কাজ করছে। মূর্তি স্থাপনের কথা বলে বিদেশী সহযোগিতা নিয়ে মুসলমানদের ঈমান ও আমলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। কত বড় বেঈমান হলে মৃণাল হক বলতে পারে “মা মারা যাওয়ার পরও এত কান্না করিনি মূর্তির জন্য যত কান্না করেছি” এরা মুসলমান নামের কলঙ্ক। এরা মূর্তির দোসর। মূর্তির সাথে তাদের হাশর হবে। এ মৃণালদেরকে বয়কট করতে হবে। এরা ইসলামের চরম দুশমন। রমজান মাস আসার আগেই দ্রব্যমূল্যের চরম উর্ধ্বগতিতে জনজীবন চরম দুর্বিষহ করে তুলে এক শ্রেণির মুনাফাখোরী চক্র। আর এটা হয়েছে রমজানের শিক্ষা না থাকায়।

গতকাল সকালে বরিশালের চরমোনাই মাদরাসা ময়দানে ১৫ দিনব্যাপী বিশেষ তালিম তারবিয়াতের ৪র্থ দিনের আলোচনায় পীর সাহেব চরমোনাই উপরোক্ত কথা বলেন।

দেবীমূর্তি অপসারণে কোনো টালবাহানা বরদাশত করা হবে না: শীর্ষ উলামায়ে কেরাম

মূর্তি ধ্বংস করুন নতুবা আপনারা ধ্বংস হয়ে যাবেন: চরমোনাই পীর

তালিম তারবিয়াতে ধর্মপ্রাণ জনতার ভীড় ক্রমশই বাড়ছে। এতে পীর সাহেব চরমোনাই ছাড়াও প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম, আল্লামা আইয়ূব আলী আনসারী, মাওলানা মুজিবুর রহমান কালিশ্বরী, মুফতী ইসহাক মু. আবুল খায়ের চেয়ারম্যানসহ চরমোনাই’র খলিফাগণ আলোচনা করেন।

তিনি আফসোস করে বলেন, দেশে এসব কী হচ্ছে? মূর্তি সরিয়ে তা আবার পুন:স্থাপন কী উদ্দেশ্যে। তাহলে পৌত্তলিকতার দিকে নিয়ে যেতেই সব আয়োজন? মুসলমানরা জীবন ও রক্ত দিয়ে হলেও শিরকের প্রতীক মূর্তি ভেঙ্গে চুরমার করে দিবে, ইনশাআল্লাহ।

-এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ